নতুন পোষ্ট
-
লাভ মিটার
নীচের লাভ মিটারে প্র্রত্যেকটা কলামের জন্যে, ১ থেকে ৫ এর মধ্যে নম্বর দিন। বেশী হলে ৫ কম হলে ১ দিন। এবং পরে যোগ করুন।
যোগফল থেকে আপনি আপনার ভালবাসার ক্ষমতা পরিমাপ করতে পারেন।
৫৬ এর উপরে পেলে = A ; ৫২ - ৫৫ পেলে = A- ; ৪৯ - ৫১ পেলে = A; ৪৬ - ৪৮ পেলে = B ; ৪২ - ৪৫ পেলে = B এবং ; পাস মার্কস = ২৩
লাভ মিটার:
ভালবাসা সব সময় ধৈর্য ধরে = ১ থেকে ৫ এর মধ্যে আপনি নিজেকে কত দেবেন? =
দয়া করে = ১ থেকে ৫ এর মধ্যে আপনি নিজেকে কত দেবেন? =
হিংসা করে না = ১ থেকে ৫ এর মধ্যে আপনি নিজেকে কত দেবেন? =
গর্ব করে না = ১ থেকে ৫ এর মধ্যে আপনি নিজেকে কত দেবেন? =
অহংকার করে না = ১ থেকে ৫ এর মধ্যে আপনি নিজেকে কত দেবেন? =
খারাপ ব্যবহার করে না = ১ থেকে ৫ এর মধ্যে আপনি নিজেকে কত দেবেন? =
নিজের সুবিধার চেষ্টা করে না = ১ থেকে ৫ এর মধ্যে আপনি নিজেকে কত দেবেন? =
রাগ করে না = ১ থেকে ৫ এর মধ্যে আপনি নিজেকে কত দেবেন? =
কারও মন্দ ব্যবহারের কথা মনে রাখে না = ১ থেকে ৫ এর মধ্যে আপনি নিজেকে কত দেবেন? =
মন্দ কিছু নিয়ে আনন্দ করে না = ১ থেকে ৫ এর মধ্যে আপনি নিজেকে কত দেবেন? =
বরং যা সত্য তাতে আনন্দ করে = ১ থেকে ৫ এর মধ্যে আপনি নিজেকে কত দেবেন? =
ভালবাসা সব কিছুই সহ্য করে = ১ থেকে ৫ এর মধ্যে আপনি নিজেকে কত দেবেন? =
সকলকেই বিশ্বাস করতে আগ্রহী = ১ থেকে ৫ এর মধ্যে আপনি নিজেকে কত দেবেন? =
সব কিছুতে আশা রাখে = ১ থেকে ৫ এর মধ্যে আপনি নিজেকে কত দেবেন? =
আর সব অবস্থায় স্থির থাকে = ১ থেকে ৫ এর মধ্যে আপনি নিজেকে কত দেবেন? =
( পবিত্র বাইবেল ১ করিন্থীয় ১৩: ৪-৭)
ভালবাসার মিটারে কত পেয়েছেন? আপনার প্রিয়জনকে অথবা অপ্রিয়জনকে ভালবাসতে কোনখানে আরও যত্নশীল হওয়া আপনার প্রয়োজন?
আপনি আমি আরও একটু যত্নশীল হলে আমাদের ভালবাসার দক্ষতা বাড়াতে পারি। আসুন শর্তহীন ভালবাসা, বাধ না মানা ভালবাসা দিয়ে পৃথিবীকে আরও বেশী ভালবাসাময় করে তুলি।
ফেব্রুঃ 14 -
Show all entries from অন্যান্য
নতুন পোষ্ট
-
“মিনিষ্ট্রি ওয়াচ” - ওয়েবসাইট পরিচিতি
প্রিয় পাঠক, আজ আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেব একটি ওয়েবসাইটের সাথে। ওয়েবসাইটের নাম “মিনিষ্ট্রি ওয়াচ” www.ministrywatch.com । ওয়েবসাইটটি মূলত পৃথিবীর প্রায় সব আন্তর্জাতিক মিনিষ্ট্রিগুলো সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে এবং প্রতি বছর ৩০টি এমন মিনিষ্ট্রির নাম প্রকাশ করে যারা প্রভুর জন্য সারা বছরে প্রচুর কাজ করেছে।তারা বিশ্বাস করে যে, এতে সেই সব মিনিষ্ট্রিগুলো উৎসাহিত হবে এবং প্রভুর জন্য আরও অনেক কাজ করে। এই ৩০টি মিনিষ্ট্রি সম্পর্কে তারা কিছু বিস্তারিত তথ্য এই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে যেন লোকে এতে উৎসাহিত হয়ে ওই সব মিনিষ্ট্রিকে ডোনেট করতে পারে। “মিনিষ্ট্রি ওয়াচ” এই ৩০টি মিনিষ্ট্রির তালিকাকে “সাইনিং লাইট মিনিষ্ট্রি” বলে। নিচে ২০১১ সালের সাইনিং লাইট মিনিষ্ট্রির তালিকা প্রকাশ করা হলোঃ
এ্যাঞ্জেল মিনিষ্ট্রিস
অডিও স্ক্রিপচার মিনিষ্ট্রিস
আওয়ানা
ব্লেসিং ইন্টারন্যাশনাল
ব্রিজেস অফ পিস
ব্রাইট হোপ ইন্টারন্যাশনাল
ক্যাডেন্স ইন্টারন্যাশনাল
কেয়ার নেট
চিল্ড্রেন’স হাঙ্গার ফান্ড
চিল্ড্রেন’স মেডিকেল মিনিষ্ট্রিস
খ্রীষ্টিয়ান ব্লাইন্ড মিনিষ্ট্রিস
খ্রীষ্টিয়ান লিগাল সোসাইটি
কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল
ক্রাউন ফিনান্সিয়াল মিনিষ্ট্রিস
ইভানটেল
ফেলোশিপ ইন্টারন্যাশনাল মিশন
ফ্রি হুইলচেয়ার মিশন
গিদিয়োনস ইন্টারন্যাশনাল
ইন্টারন্যাশনাল জাস্টিস মিশন
জারস
কিংসওয়ে চ্যারিটিস
লাইফ সেন্টারস
মেডিকেল টিমস ইন্টারন্যাশনাল
মিলিটারী কমিউনিটি ইউথ মিনিষ্ট্রিস
মিরাকেল হিল মিনিষ্ট্রিস
রন হাচক্রাফ্ট মিনিষ্ট্রিস
ট্রুথ ফর লাইফ
ভিলেজ মিনিষ্ট্রিস
দা ভয়েজ অফ দা মির্টারস
ইয়াং লাইফ
এছাড়াও মিনিষ্ট্রি ওয়াচ আরও ৩০টি মিনিষ্ট্রির তালিকা প্রকাশ করে যাদের তারা “ডোনার এলার্ট” তালিকা বলে। যে সমস্ত মিনিষ্ট্রি এমন কিছু কার্যক্রম করে যা প্রশ্ন তোলার মত, যেমনঃ ট্যাক্স ফাকি, স্থানীয় আইন অমান্য করা, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অতি উচ্চ বেতন, ভ্রান্ত বা কাল্ট বিশ্বাস ইত্যাদি। তাই এই সব মিনিষ্ট্রিগুলোকে ডোনেশন করার আগে প্রার্থনা-পূর্বক সিদ্ধান্ত নেয়া উচিৎ। নিচে ২০১১ সালের মিনিষ্ট্রি এলার্ট তালিকা দেয়া হলোঃ
বেনি হিন
বাইবেল প্রোফেসি কর্নার/মার্লিন জে. এজি
বোয়াজ ফাউন্ডেশন
ক্রাইষ্ট টেম্পেল ব্রেকিং ফ্রি মিনিষ্ট্রি
খ্রীষ্টিয়ান ক্রেডিট কাউন্সেলর্স ইন্টারন্যাশনাল
ক্রেফ্টো ডলার মিনিষ্ট্রিস
ডেভিড কেরুল্লো/ইন্সিরেশনাল নেটওয়ার্ক
ইবাইবেল ফেলোশিপ / ক্রাইষ্ট ম্যাক্কেন
এভার ইনক্রিজিং ফেইথ মিনিষ্ট্রিস
ফ্যামেলী কেয়ার ফাউন্ডেশন
জেন্টেল টাচ মিনিষ্ট্রিস
জিনা ক্লার্ক/চাচ্ড বাই এঞ্জেলস
হেরল্ড ক্যাম্পিং/ফ্যামেলী রেডিও/ফ্যামেলী স্টেশন্স
জোয়েল অস্টিন্স
কেনেথ কোপল্যান্ড মিনিষ্ট্রিস
লেরয় জেন্কিন্স/হিলিং ওয়াটার্স ক্যাথেড্রাল
মাইক মার্ডক/দা উইজডম সেন্টার
মরিস সেরুল্লো ওয়ার্ল্ড ইভান্জেলিজম
নিউ বার্থ মিশনারী ব্যপ্টিষ্ট / এডি লং
পিটার পপফ
প্রোফেটিক ইমেজ এক্সপ্রেশনস / কিম ক্লেমেন্ট
রিমা / কেনেথ হেজিন মিনিষ্ট্রিস
রড পি/ব্রেকথ্রু মিনিষ্ট্রিস
সাক্সেস এন লাইফ / এসএনএল/রবার্ট টিলটন
টিবিএন/ট্রিনিটি ব্রডকাষ্টিং নেটওয়ার্ক
টিডি জ্যাক্স মিনিষ্ট্রিস/পটার্স হাউজ অফ ডালাস
টনি আলামো খ্রীষ্টিয়ান মিনিষ্ট্রিস
ওয়েলস্প্রিং রিনিউয়াল সেন্টার
হোয়াইট ডোভ ফেলোশীপ
উইঙ্গো / এঞ্জেল ফুড মিনিষ্ট্রিস
এছাড়াও এই ওয়েবসাইটে বিভিন্ন মিনিষ্ট্রি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। তাই আন্তর্জাতিক মিনিষ্ট্রি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে এই ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করতে পারেন।মার্চ 08 -
আমি সেক্যুলার – প্রভু, তুমি কি আমার নও
সামাজিক ও মণ্ডলী-সেবার আগ্রহী হওয়ার পেছনের ঘটনাসমূহ বর্ণনার প্রথমেই প্রভুর পক্ষে কাজ করার জন্য আগ্রহী হওয়ার পথে-পথে দুঃখময় ও কঠিন ধাক্কা লাগার বিষয়ে সেক্যুলার মানুষের সঙ্গে সহভাগিতা করতে চাই – জানাতে চাই স্পিরিচুয়ালিটির ধারক, বাহক ও সোল এজেন্টদের।
প্রথম জীবনেই আমার ছোটমামাকে আমার আইডল ভাবতে শুরু করলাম। বাবার প্রথম জীবনে টাকা-পয়সার যোগান ছিল না। আমার বিধবা ঠাকুরমা কীভাবে যে আমার বাবা ও দুই পিসিমাকে মানুষ করেছেন – সেটি ভাবায় আমাকে। পরবর্তীতে শাশুড়ির ইন্টেনসিভ কেয়ারে বাবা প্রকৌশলি হন, যে কারণে আমার জন্ম ও শিশুকাল মামাবাড়িতে মামা-মাসিদের আদর ও ভালোবাসায় কেটেছে। সেই সময় আমার ছোটমামা ঢাকা শহরের তুখোর ছাত্রনেতা, বিখ্যাত তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগের ও ঢাকার মহানগরের ছাত্রলীগের সভাপতি, যুদ্ধফেরত তরুণ মুক্তিযোদ্ধা – সঙ্গে সব সময় ২০/২২ জন অনুসারী, বন্ধু। খোলা জিপ, ২০০ সিসি’র মোটর সাইকেল। পাড়ায়, মহল্লায়, কলেজে ‘টিপু ভাই’। আমার মাথা যা বিগড়ে যাবার, বিগড়ে গেল। ঢাকা শহর কাঁপানো সব মামাদের আদরের ভাগ্নে (যাদের মধ্যে অনেকেই পরবর্তীতে এমপি, মন্ত্রী)। পরবর্তীতে একজন খ্রীষ্টিয়ান হিসেবে অনেক কাঠ খড় পুড়িয়ে ওয়ার্ড থানার মতো কমিটিতে থেকে হলাম ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি। পরবর্তীতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা।
এবার বলি অন্য জীবনের কথা।
মণ্ডলী ও সংঘের সেবক বাবার হাত ধরে ছোটবেলায় প্রতি রবিবারে, বড়দিনে ও পুনরুত্থানের গীর্জায় যাবার অভ্যাসও কালক্রমে নেশায় পরিণত হয়। ধীরে-ধীরে জড়িয়ে পড়ি সান্ডেস্কুল, যুব সমিতিসহ মণ্ডলীর বিভিন্ন দায়িত্বে আর এ জড়িয়ে পড়ার বিষয়টি যে আমাকে জোরেশোরে জড়িয়ে ধরবে তা বুঝি দীর্ঘদিন পরে।
আমি দ্বিধাহীনভাবে বলতে পারি - সান্ডেস্কুল, যুব সমিতি ও মণ্ডলীর সঙ্গে আমার এই জড়িয়ে-পড়ার বিষয়টি যদি না হতো, তবে আমার জীবন ভিন্নতর হতে পারত। হতে পারত পত্রিকার শিরোনাম, পোস্টারের ছবি বা অন্যান্য অনেক কিছু। বাবার মোটর সাইকেলে তিন ভাইয়ের সদরঘাট ব্যাপ্টিষ্ট চার্চে যাওয়ার নেশাটাই ছিল আমার জীবনে প্রভুকে সেবনের নেশা। কয়্যারের গান, বড়দিনের কীর্তন, নাটক ও ভোজের বাজার-সদাই – ডালপালা হয়ে জড়িয়ে ধরেছে মণ্ডলীর সঙ্গে আমাকে। নিজের জীবনের অঙ্গীকারের কথা আজ বলে ফেললাম – প্রভুর কাছে আমার নালিশটা তুলে ধরার জন্য।
মণ্ডলী ও সমাজের ভালোবাসায় আসক্ত আমি ধীরে-ধীরে মণ্ডলীর সেবার দায়িত্ব পেলাম। ‘নিলাম’ বললাম না এজন্য যে, দেশের সবচেয়ে বড় প্রোটেষ্ট্যান্ট চার্চের সম্পাদক হিসেবে মিরপুরের মানুষ আমার প্রতি যে ভালোবাসা দিয়েছে সকল বিষয়ে, তার জন্য আমার কৃতজ্ঞতা ও আনন্দের শেষ নেই। এই দায়িত্ব পাওয়ার পরে দায়িত্ব পালনের ক্ষুদ্র চেষ্টা করেছি, তার বিনিময়ে শুরু হলো প্রভুর আশীর্বাদ বর্ষণের পালা – সবকিছুই বদলে গেল। হঠাৎ মনে হলো, আমি অভিষেকের বরপুত্র। যেখানেই যাই শুধু আশীর্বাদ আর আশীর্বাদ। ক্রমে-ক্রমে ওয়াইএমসিএ, খ্রীষ্টান এসোসিয়েশন, ঢাকা ক্রেডিট, বহুমুখী, সংঘ-সম্মিলনী, জাতীয় চার্চ পরিষদ, সবশেষে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। প্রভুর জন্য অল্প সময়, ত্যাগ, দায়িত্ব পালন, কোনো-কোনো ক্ষেত্রে একটু নিজেকে নিয়ন্ত্রণ, ব্যস – এর বিনিময়ে প্রভুর সীমাহীন আশীর্বাদ। শ্রদ্ধেয় স্যামসন এইচ. চৌধুরীর একটি বাক্য আমার জীবনে সত্যি হলো – ‘প্রভু কারো কাছে ঋণী থাকেন না।’ আর আমি বলি, প্রভুকে ঋণী করা যায় না। শুধুমাত্র সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণই নয়, আমার জীবনের শুরুতেই যে জাতীয় রাজনৈতিক আদর্শের পিছনে ছুটে বেড়িয়েছি, সেই ক্ষেত্রেও অযাচিত আশীর্বাদ ছিল, রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে যখন দেখা হয় বা কথা হয় – যখন বলেন, ‘কেমন আছিস’ – ভালোবাসায়-স্নেহে তুই/তুকার সম্বোধন, মণ্ডলীর নেতারা অনেকেই আনন্দিত হন, গর্বিত হন আমাকে নিয়ে – তখন মনে হয়, আর কী চাইবার আছে এই জাগতিক পৃথিবীতে?
যে বিষয়টি আজ যুবসমাজের কাছে তুলে না ধরলে হয়ত আমার দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া হবে – তা হচ্ছে মণ্ডলীর সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা যদি সবকিছুর পরেও নিয়মিত না থাকত, তবে হয়ত ভয়াবহ হতো আমার জীবন। শুধুমাত্র এই একটি সম্পর্কই আমার জীবনকে প্রভুর জন্য ধরে রেখেছে। মণ্ডলীর সঙ্গে যুবকদের লেগে থাকাটাই আজকে পরিবর্তিত জীবনের পূর্বশর্ত।
যে বিষয়ের অবতারণায় আজকের এত ভ্যানভ্যানানি – বৈচিত্রময় জীবনে সুনাম-দুর্নামকে সঙ্গী করে যখনই প্রভুর কাজে জড়াতে চেয়েছি, ততবারই দুঃখের কয়লায় বারবিকিউ’র বিফের স্টেক বা মুরগির ঝলসানো রানের মতো পুড়ে-যাওয়া কালো রং ধরেছি। অনেকেই বলতে চেয়েছেন বা বলেছেন, তুমি কেন মণ্ডলীতে আসো? যুব সমিতির সভাপতি তুমি কেন হবে? তোমার গানের তালন্ত সেক্যুলার জগতে দাও, মণ্ডলীর কয়্যারে না এলেই ভালো হয়। মণ্ডলীর সম্পাদকের মতো ছোট দায়িত্ব তুমি কেন নেবে? তুমি এমপি, মন্ত্রী হবার সাধনা করো, মণ্ডলীর সম্পাদকের দায়িত্ব ছেড়ে রাজনীতিতে সময় দাও। সর্বশেষ বাংলাদেশ বাইবেল সোসাইটির নির্বাচনের সময় একজন স্পিরিচুয়াল নেতা বললেন, ‘তোমার বাইবেল সোসাইটিতে আসার দরকার নাই।’ তুমি সেক্যুলার – স্পিরিচুয়াল পৃথিবী আলাদা। তুমি সেক্যুলার, তুমি সেক্যুলার, তুমি সেক্যুলার – প্রতিধ্বনির মতো। চারদিকের ধর্মব্যবসায়ীদের সরব চিৎকারে অতিষ্ঠ হয়ে অভিধান নিয়ে বসলাম। সেক্যুলার শব্দের মানে কী – এটি কোন জঘন্য পাপ ও পাপীর কোনো Biblical Termology কি-না? হাতড়ে-খুঁজে বের করলাম এর বাংলা শব্দার্থ। চরম আনন্দে ও উৎসাহে যে শব্দের অর্থ আবিষ্কার করলাম – তা আমাকে চমকে দিয়ে অনাবিল আনন্দ দিল। জানা হলো আমার এই বিশেষণের বা পরিচয়ের কারণেই তো প্রভু আমাকে খুঁজছেন বা ভালোবাসেন। তোমরা যারা স্পিরিচুয়াল নামধারী – তোমাদের প্রভু খোঁজেন কি? প্রভু তো মানুষ হিসেবে জন্ম না নিয়ে সেক্যুলার না হলেও পারতেন। জলে বাপ্তাইজিত হয়ে স্পিরিচুয়াল হওয়ার দরকার ছিল কেন? সেক্যুলার পৃথিবীর মানুষকেই প্রভুর প্রয়োজন। স্পিরিচুয়ালিটির ধারক-বাহকরা অনেকে আমাদের দেশের পুরাতন রাজনৈতিক দলের মতো। ধর্মীয় নেতারা ভাবেন, মূল স্পিরিচুয়াল লোকেরা থাকলেই হবে – নতুন লোকের আমাদের দরকার কী? আমরা আলাদা। নতুন স্পিরিচুয়ালদের দরকার কী? ওরা তো সেক্যুলার থাকলেই ভালো। পুরাতন নিয়মের মহাপবিত্র যাজকদের মতো বা পুঁজিবাদী নেতাদের শ্রেণিবৈষম্যের মতো। আমি সেক্যুলার, কিন্তু আমি মদ-গাঁজা খাই না। আমি সেক্যুলার, কিন্তু অনেক ধর্মীয় দলের নেতাদের খোলামেলা জীবন-ধারনের ফায়দা কুড়ানোর মতো অনাচারে আমি জড়িত নই। আমার বিরুদ্ধে অনাচারের অপবাদ নেই। আমি সেক্যুলার, কিন্তু ধর্মব্যবসার টাকায় আমার জীবন চলে না। আমি সেক্যুলার, আমার প্রভুকে আমি ডলার কামানোর জন্য হাটে উঠাই না। আমি সেক্যুলার। আমি তাদের খুঁজি, যারা আমাকে স্পিরিচুয়াল করার শপথ নিয়ে প্রভুতে প্রতিজ্ঞা করেছেন। আপনারা কোথায়? আপনারা আমাকে খোঁজেন কি? প্রভু আমাকে পরিবর্তনের কাজে আপনাদের মনোনয়ন দিয়েছেন, যাতে আমি প্রভুতে স্পিরিচুয়াল হই। কিন্তু আপনাদের উৎপাতে প্রভুর কাছে ফিরে আসার বদলে ছুটে পালাতে হয়। একবার ভেবে দেখুন, আমি সেক্যুলার বলে আমার আছে শুধুই ভবিষ্যৎ - সে ভবিষ্যৎ স্পিরিচুয়াল হওয়ার সম্ভাবনা, কিন্তু আপনাদের আছে শুধুই অতীত – ভবিষ্যৎ নেই।
প্রভু, আমি সেক্যুলার, কিন্তু তোমাকে ভালোবাসি। প্রভু, আমি সেক্যুলার, তোমার জন্য কাজ করতে চাই। প্রভু, আমি সেক্যুলার, তোমার বাক্যের ও মণ্ডলীর সেবক হতে চাই। প্রভু, আমি সেক্যুলার, এই বিশেষণের বিশ্লেষণে যেন তোমার জন্য আমার কাজের ও ভালোবাসার ঘাটতি খুঁজে না বেড়াই। কারণ তুমি নিজেই আমার মতো সেক্যুলার মানুষের জন্য মৃত্যু যাতনায় আমাকে মুক্তির শপথ নিয়েছ।জানুঃ 08 -
ডেড সি স্ক্রল

ডেড সি স্ক্রলের কথা এখন অনেকেরই জানা। ১৯৪৭ এবং ১৯৫৬ সালে পাওয়া এই মূল্যবান বাইবেলীয় তথ্যাদি এক সময় আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। সাম্প্রতিক ডেড সি স্ক্রল নিয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরী করা হয়েছে, প্রাপ্ত স্ক্রলগুলোর মধ্যে পাঁচটি স্ক্রলের ছবিসহ বিভিন্ন তথ্য ইতিমধ্যেই এই ওয়েবসাইটে রাখা হয়েছে। প্রকাশিত স্ক্রলগুলো হচ্ছে দা গ্রেট ঈসাইয়া স্ক্রল, টেম্পল স্ক্রল, ওয়ার স্ক্রল, কমিউনিটি রুল স্ক্রল এবং কমেন্টরি অন দা হবক্কূক স্ক্রল। গুগোলের অর্থায়নে এই ওয়েবসাইটটি পরচালিত হচ্ছে। জানা গেছে, ডেড সি স্ক্রলের যাবতীয় তথ্যাদি এবং গবেষনার ফলাফল এই ওয়েবসাইটে নিয়মিত প্রকাশ করা হবে।
ডিসেঃ 29 -
কাল্ট
বর্তমান সময়ে এই শব্দটি আমরা প্রায়শই শুনে থাকি। একজন ভাল খ্রীষ্টিয়ান বিশ্বাসী হিসাবে আমাদের এটি সম্পর্কে অবগত হওয়া প্রয়োজন। বাইবেল বলে শেষ সময়ে অনেক ভন্ড লোকেরা এসে অনেককে ঠকাবে (মথি ২৪)। এজন্য আমাদের এই সময় সতর্কতার সহিত জীবন যাপন করা উচিত। তবে কোন ডিনোমিনেশনস্ সঠিক এবং কোনটি কাল্ট এটি মূল্যায়ন করা একদিকে সহজ আবার কখনও কখনও কঠিন। কারণ এই কাল্ট দলগুলি বাইবেলের পদ ব্যবহার করেই এমনভাবে শিক্ষা দেয় যাতে করে উপর দিক দিয়ে মনে হয় তারা বাইবেল সম্মত কথাই বলছেন। কিন্তু কেউ বাইবেলের পদ ব্যবহার করলেই তিনি যা বলছেন তা যে বাইবেল সম্মত তা নাও হতে পারে। শয়তানও বাইবেল জানে এবং যীশু খ্রীষ্টের পরীক্ষার সময় বাইবেলের পদ ব্যবহার করেছিলেন যা ছিল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী বাইবেলের ভুল প্রয়োগ। যীশু খ্রীষ্ট তিনি বাক্য জানতেন বলেই শয়তানের চালাকি বুঝতে পেরেছিলেন এবং প্রতিরোধ করতে পেরেছিলেন। বাইবেলের সাথে গভীর সম্পর্কই আমাদেরকে এই সব প্রতারণা থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে।
কাল্ট না ভাল ডিনোমিনেশন কিভাবে বুঝব?
সাধারণত খ্রীষ্টিয়ান সম্প্রদায়গুলির বা ডিনোমিনেশনগুলির মধ্যে মূল খ্রীষ্টিয় মতবাদের কিছু কিছু পার্থক্য রয়েছে। কোন কোন ডিনোমিনেশন কোন কোন মতবাদকে প্রাধান্য দেয় আবার কোন কোন ডিনোমিনেশনস্ সেগুলিকে প্রাধাণ্য দেয় না। কিন্তু কিছু কিছু মূল মতবাদ সবগুলি ডিনোমিনেশনস্ এর মতবাদেই পাওয়া যাবে। এবং বর্তমান বিশ্বের বেশীরভাগ বড় বড় ডিনোমিনেশনস্ বা সম্প্রদায় এর সাথে একমত হবেন। যেমন নিম্নের প্রধান প্রধান মতবাদগুলি সবধরনের বড় বড় ডিনোমিনেশনস্ এর মতবাদে পাওয়া যাবে:
(যীশুখ্রীষ্ট, ত্রিত্ব ঈশ্বর, যীশু খ্রীষ্টের মৃত্যু, পরিত্রাণ, স্বর্গারোহন ও পুনরাগমন)
খ্রীষ্টিয়ান ধর্মের প্রধান প্রধান ধর্মবিশ্বাস: ( ডিনোমিনেশনস্ ভেদে কথার ভিন্নতা থাকতে পারে)
১. যীশু খ্রীষ্টকে ঈশ্বর ও প্রভু বলে স্বীকার করা, এবং তাঁর রক্তের মাধ্যমে পাপের ক্ষমা অর্থাৎ পরিত্রাণ পাওয়া যায় তাতে বিশ্বাস।
২. পিতা পুত্র ও পবিত্র আত্মার উপর বিশ্বাস, অর্থাৎ ত্রিত্ব ঈশ্বরে বিশ্বাস।
৩. যীশু খ্রীষ্টের মৃত্যু, পূনুরত্থান ও পুনরাগমন স্বীকার ও বিশ্বাস।
(কি কাথলিক বা প্রটেষ্ট্যান্ট যারা নিজেদেরকে খ্রীষ্টিয়ান বলে দাবি করেন তাদের সকলেরই এই মতবাদগুলি রয়েছে।)
এছাড়া প্রত্যেক ডিনোমিনেশনস্ এরই নিজস্ব আরও মতবাদ রয়েছে। কিন্তু উপরোক্ত মতবাদগুলি সমস্ত বড় খ্রীষ্টিয়ান ডিনোমিনেশনস্ গুলিই মেনে নেয় ও বিশ্বাস করে।
কাল্ট প্রধানত কয়েক প্রকার:
• ধর্মীয় সম্প্রদায়ের কাল্ট: নিজেদেরকে ধর্মীয় সম্প্রদায়ের অথীন বলে আখ্যায়িত করে কিন্তু প্রধান ধর্মীয় মতবাদগুলি মেনে নেয়না, ভুল ব্যাখ্যা দেয় বা বিকৃত করে।
• কোন বিশেষ নীতিমালার কাল্ট: নিজেদেরকে কোন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের লোক বলে না কিন্তু কিছু কিছু নীতিমালা অনুসরণ করে জীবন যাপন করে যা বাইবেলীয় নয়।
• কোন বিশেষ ব্যক্তি বা ব্যক্তির মতবাদ কেন্দ্রিক কাল্ট: কোন মানুষকে ঈশ্বরের সমতূল্য দিয়ে আরাধনা করে।
• যাদুবিদ্যা, মন্ত্রতন্ত্র, ব্রেইন ওয়াশ
কোন কোন কাল্ট দল রয়েছেন যারা নিজেদেরকে কোন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের লোক বলেন কিন্তু তারা এই প্রধান মতবাদগুলিকে মেনে নেন না বা বিকৃত করেন এবং সেজন্য তাদের মতবাদগুলি এতটাই ভিন্ন যে এদেরকে আর সেই ধর্মীয় সম্প্রদায়ের লোক বলে মেনে নেওয়া যায় না।
যেমন কিছু কিছু ধর্মীয় কাল্ট দলের বিশ্বাস হচ্ছে:
১. যীশু খ্রীষ্ট তিনি সৃষ্টি হয়েছেন বা ঈশ্বর নন বা তিনি একজন বিশেষ স্বর্গদূত বা তিনি মারা যাননি, তিনি প্রভু নন ইত্যাদি ইত্যাদি। বেশীরভাগ কাল্ট দলগুলিরই যীশু খ্রীষ্ট সম্পর্কিত মতবাদে বিভ্রান্তি রয়েছে। কোন কোন কাল্ট গ্রুপের নেতাদের মধ্যে অনেকে আবার ইতিমধ্যে নিজেকে যীশু খ্রীষ্ট বলে দাবি করছেন যাদের অনেকে ইতিমধ্যে মারা গেছেন। (বর্তমানে বিভিন্ন দেশে অনেকে রয়েছেন যারা দাবি করেন তারাই যীশু খ্রীষ্ট)
২. ত্র্বিত্ব ঈশ্বরে অবিশ্বাস। কেউ কেউ বলেন পিতা ঈশ্বর কিন্তু পুত্র ঈশ্বর নন। কেউ বলেন পুত্রই একমাত্র ঈশ্বর আর কোন ঈশ্বর নেই বা পিতা ও পবিত্র আত্মা পুত্র ঈশ্বরের বিভিন্ন রূপ। কেউ বলেন পবিত্র আত্মা হচ্ছেন ঈশ্বরের আত্মা কিন্তু ঈশ্বর নন। এর কোনটিই সঠিক নয়।
এছাড়া আর যে যে ভাবে আমরা কাল্ট দলগুলি চিহ্নিত করতে পারব তা হচ্ছে:
১. সেই সম্প্রদায়ের নেতা বা লোকেরা নিজেদেরকে অতিমানব মনে করেন বেশীরভাগ ক্ষেত্রে নিজেকে ঈশ্বর বলে দাবি করেন।
২. পৃথিবীর সবকিছুকে ভুল বা খারাপ হিসাবে চিহ্নিত করা এবং সেজন্য পৃথিবীর সমস্ত সুযোগ সুবিধা না নেওয়া বা যত্ন না নেওয়া বা পৃথিবীর সম্পদ কিছুকে শয়তানের বলে আখ্যা দেওয়া যা বাইবেলের শিক্ষার বিপরীত।
৩. শুধুমাত্র দলীয় নেতা এমন কিছু জানেন যা অন্য কোন মানুষ পৃথিবীর জানেনা। অথাৎ সেই সম্প্রদায়ের প্রধান নেতা সবার চেয়ে আলাদা ও ক্ষমতাপূর্ণ।
৪. বিবাহের বাইরে যৌন সম্পর্ককে উৎসাহিত করা বা দলীয় নেতার সহিত বা দলের সদস্যদেরএক অন্যের সাথে অবাধ যৌন সম্পর্ককে উৎসাহিত করা।
৫. যে কোন রকম মূর্ত্তিপূজাকে (কোন মূর্ত্তিকে সরাসরি ঈশ্বর বলে মনে করে) উৎসাহিত করা বা দলের প্রধানকে ঈশ্বরের সমতূল্য হিসাবে পূজা করা।আমাদের করণীয়:
- আপনি যাদি এরূপ কোন দলের সাথে যুক্ত থাকেন তবে এখনই কোন ভাল বিশ্বাসী দলের সাথে যুক্ত হোন অথবা ভাল কোন মন্ডলীর সাথে সহভাগিতা দেওয়া শুরু করুন।
- ঈশ্বরের বাক্য অর্থাৎ বাইবেলের সাথে গভীর সম্পর্ক গড়ে তুলুন। নিজে বাইবেল পড়ুন ও অধ্যয়ন করুন এবং যদি আপনার ব্যক্তিগত বাইবেলের ভিত্তি দুর্বল হয় তবে অতি স্বত্তর কোন ভাল বাইবেল অধ্যায়ন দলের সাথে বা কোন প্রতিষ্ঠীত মন্ডলীর বাইবেল অধ্যয়ন দলের সাথে যক্ত হোন।
- কেউ কোন নতুন মতবাদ দিলে সংগে সংগে বাইবেলের বিভিন্ন অংশের সাথে তার সমঞ্জস্যতা পরীক্ষা করুন। আপনি নিজে না পাড়লে কয়েকজন প্রতিষ্ঠীত পালকের সাহায্য নিন।
- কোন কাল্ট গুপের ব্যাপারে আপনি জানলে আপনার পরিবার পরিজন ও বন্ধুদের সতর্ক করুন।
- ঈশ্বরের সাথে আপনার ব্যক্তিগত সম্পর্ক প্রার্থনা, বাইবেল অধ্যয়ন, নীরবধ্যান, ভাল সহভাগিতার মাধ্যমে বৃদ্ধি করুন। আপনি অজ্ঞ এবং একা থাকলে ভুল করার সম্ভাবনা বেশী থাকে।
প্রস্তুতকারী:
রিচার্ড হালদার
আরও জানতে বা এ সম্পর্কে যোগাযোগ করতে পারেন:
এই ইমেইল ঠিকানা স্পামবট থেকে রক্ষা করা হচ্ছে।এটি দেখতে হলে আপনাকে JavaScript সক্রিয় করতে হবে।
তথ্য সূত্র:
http://newapologia.com/what-cult/ডিসেঃ 14 -
সমুদয় জগতের আনন্দ
মাত্র কয়েকদিন পূর্বে আমি ঢাকার কাকলী সিগন্যাল থেকে গুলশান রোডে রাস্তার মোড়ে রিক্সা ভাড়া দিতে গিয়ে এক বিড়ম্বনায় পড়লাম। ভাংতি টাকা নেই, রিক্সাওয়ালাকে তার নির্ধারিত ভাড়ার বেশি টাকা দিয়ে বিদায় করলাম। দেখলাম রিক্সাচালক ভীষন আনন্দিত, ভাবলাম এটি আমার কৃতিত্ব কিন্তু কিছু সময় পরে সিএনজিতে বসে মনে হলো এ আমার অনিচ্ছাকৃত আনন্দ দান। আমাদের প্রতিদিনের জীবনে এরকম অনেক কিছুই ঘটে যা মনের অজান্তে অন্যকে আনন্দ দেয় বা কোন কোন সময় প্রচুর দুঃখও দেয় বটে। এখন একটা প্রশ্ন করা যাক তাহলে জগতের এই রকম বাস্তবতায় পরিপূর্ণ আনন্দ (Real Joy) লাভ সম্ভব কিভাবে? আমি একটু পিছনে ফিরে যেতে চাই ১৯৮৮ এর বন্যা, দক্ষিণ অঞ্চল প্লাবিত মানুষের দারুণ কষ্ট, আমি ও আমার পরিবারও সেদিন দারুণভাবে বিপর্যস্ত ছিলাম। মনে পড়ছে সেদিন আনন্দের বদলে শুধু দুঃখই যেন ছিল আমাদের সম্বল। কিন্তু কিছু দিন পরে আস্তে আস্তে ঘন দুঃখ সরে গিয়ে ঝলকানি হাসি দিয়ে সোনালী রোদের মত ফিরে এসেছিল ‘‘প্রভু যীশু খ্রীষ্টের জন্মদিন’’। নূতন পোষাক ছিল না, ছিল না ভাল খাবার কিন্তু সকালের উপাসনায় পবিত্র বাইবেলের অমৃত বাণী ‘‘আমি তোমা দিগকে মহানন্দের সুসমাচার জানাইতেছি; সেই আনন্দ সমুদয় লোকেরই হইবে’’ লূক ২:১০। মন থেকে সব দুঃখ সরে গেল এক অপূর্ব অনুভুতি। কি মহানন্দ! আজ অনেকদিন পরে সেই স্মৃতি স্মরণ করে সকলের কাছে তাই বলতে চাই অশান্ত, অন্ধকারময়, দুঃখ কবলিত জগৎবাসী আজ আপনাদের জন্য এক মহানন্দের দিন প্রভু যীশুর আগমন বারতা (Joy for all)। প্রশ্ন আসতে পারে চারিদিকে এত হানাহানি, দলাদলী, ঘৃণা, হিংসা আর এর মাঝে আনন্দ পাব কোথায়? আনন্দ কি সম্ভব? এই প্রশ্ন আমারও ছিল কিন্তু পবিত্র বাইবেল আমার সে প্রশ্নের উত্তর এইভাবে দিয়েছে ‘‘কেননা ঈশ্বরের কোন বাক্য শক্তিহীন হইবে না? লূক ১:৩৭ পদ। সুতরাং ভয়ের বা আশংকার কোন কারণ নেই প্রভু যীশু খ্রীষ্ট আপনাকে এবং আমাকে তার করুণার ভান্ডার থেকে অপরিমেয় আশির্বাদ ঢেলে দেবেন যেভাবে শিমিয়োন যিরুশালেমের ধর্মধামে ঈশ্বরের ধন্যবাদ করে বলেছিলেন ‘‘হে স্বামিন্, এখন তুমি তোমার বাক্যানুসারে তোমার দাসকে শান্তিতে বিদায় করিতেছ, কেননা আমার নয়নযুগল তোমার পরিত্রাণ দেখিতে পাইল, যাহা তুমি সকল জাতির সম্মুখে প্রস্ত্তত করিয়াছ। পরজাতিগণের প্রতি প্রকাশিত হইবার জ্যোতি ও তোমার প্রজা ইস্রায়েলের গৌরব’’ লুক ২:২৯-৩২। তবে আনন্দ পেতে হলে কিছু করণীয় রয়েছে। যিনি এই আনন্দ বারতার ধারক ও বাহক সেই মহান প্রভু যীশু খ্রীষ্ট নিজের জীবন দ্বারা আনন্দ দানের ও প্রাপ্তির সূচনা করেছেন। তিনি বলেছেন আমাকে অভিষেক করা হয়েছে ‘‘দরিদ্রদের কাছে সুসমাচার প্রচার করিবার জন্য। বন্দিগণের কাছে মুক্তি প্রচার করিবার জন্য, অন্ধদের কাছে চক্ষু দান প্রচার করিবার জন্য, উপদ্রুতদিগকে নিস্তার করিয়া বিদায় করিবার জন্য এবং প্রভুর দয়ার কথা ঘোষনা করার জন্য’’ লূক ৪:১৮। আমার ব্যক্তি জীবনের অভিজ্ঞতা ও বাস্তব শিক্ষার আলোকে এটি অত্যন্ত স্পষ্ট যদি আমি এবং আপনি-
১. দরিদ্রদের কাছে সুসমাচার প্রচার করি
২. বন্দিগণের কাছে মুক্তি প্রচার করি
৩. অন্ধদের কাছে চক্ষু দান প্রচার করি
৪. উপদ্রুতদিগকে নিস্তার করিয়া বিদায় করি এবং
৫. প্রভুর দয়ার কথা ঘোষনা করি
তবে এই জগৎ আনন্দময় হবে। স্বর্গদূত যে ঘোষনা করেছিল ‘‘আমি তোমা দিগকে মহানন্দের সুসমাচার জানাইতেছি; সেই আনন্দ সমুদয় লোকেরই হইবে’’ তা পূর্ণ হবে। কারণ প্রভু যীশু খ্রীষ্ট সমুদয় জগতের আনন্দ।সমুদয় জগতের আনন্দডিসেঃ 12 -
Show all entries from প্রবন্ধ
নতুন পোষ্ট
-
জন্টি রোডস
উদ্দেশ্য সম্বন্ধে ভাবুন!
অস্তিত্বের অর্থই হচ্ছে নিজের ভিতরের শান্তি এবং পরিপূর্নতার অন্বেষণ করা। গত বিশ্বকাপের উত্তেজনাপূর্ন মুহুর্তটি ছিল, যখন জন্টি রোডস তার চির পরিচিত সেই উড়ন্ত ডাইভের মাধ্যমে পাকিস্তানী ব্যাটস্ম্যান ইনজামাম-উল-হককে রান আউট করেন। এই রকম চমৎকার নৈপন্য প্রদশনের জন্য জন্টি রোডস অনেকের দ্বারা ক্রিকেটে শ্রেষ্ঠ ফিল্ডারের সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন এবং তিনি সাম্প্রতিক সময়ের একজন প্রসিদ্ধ খেলোয়াড় হয়ে উঠেছেন। তার নিজের দল সাউথ আফ্রিকা সেই রাউন্ড রনিন ম্যাচটি জিতেছিল। এই ম্যাচটিকে টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ান হতে যাওয়া দলের বিরুদ্ধে জন্টির ম্যাচ হিসাবে সবসময় স্মরণ করা হয়। আন্তর্জাতিক শ্রেণীর একজন ব্যাটস্ম্যান ও ফিল্ডার হিসাবে এবং সাউথ আফ্রিকার একজন চমৎকার হকি খেলোয়াড় হিসাবে, তিনি যে সকল কৃতিত্ব দেখিয়েছেন তাতে করে তিনি অভূতপূর্ব জনপ্রিয়তার উপাধি “ফ্রিরিটি” হিসাবে পরিচিত ছিলেন। জন্টি তার এই বিশেষ দক্ষতার জন্য ঈশ্বরের নিকট সত্যি কৃতজ্ঞ এবং বিনম্র ছিলেন। অনুসারী ছিলেন। ঈশ্বরের সাহচর্যে কেইট-এর হৃদয়ে যে শান্তি ছিল তা আমি দেখেছিলাম এবং আমিও সেই একই শান্তি চাইছিলাম। সেই সময়ে আমি মাত্র জাতীয় ক্রিকেট ও হকি দলে অন্তর্ভূক্ত হয়েছিলাম এবং যথেষ্ট চাপের মধ্যে থাকার কারনে জীবনের সত্যিকারের কষ্ট অনুভব করেছিলাম। এক রাত্রে আমি নিজে নিজেই ভাবছিলাম, “জন্টি তুমি আর কোথাও যাচ্ছ না।” “আমি জানতাম আমার জীবনে প্রভুকে প্রয়োজন, তাই আমি নিয়মিত পিটার মার্টিবার্গের চার্চে যাওয়া শুরু করলাম। এক রাতে চার্চের পরে আমি পরিচর্যাকারী এ্যারোল জ্যাকোবিকে ধরলাম এবং তার কাছে এই ব্যাপারে সাহায্য চাইলাম। তিনি আমাকে সেই চার্চের পিছনের একটি ঘরে যেখানে পাপ স্বীকার করা হয়, সেখানে নিয়ে গেলেন। এটাই ছিল সঠিক সাহায্য, কারন এটা ছিল সেই জায়গা যেখানে আমি আমার হৃদয় খুলে কেদেছিলাম এবং প্রভুকে আমার হৃদয় সমর্পণ করেছিলাম।” জন্টি বুঝতে পারলেন যে, তার এই নতুন জন্মের অভিজ্ঞতার সমস্তটাই সম্ভব হয়েছে কেইট-এর সঙ্গে তার পরিচয় হবার ফলে, যে এখন তার স্ত্রী। “আমি এখন জানি কেন প্রভু আমাদেরকে একসঙ্গে রেখেছেন, কারন কেইট ছিল তেমনি একজন যে আমাকে সঠিক পথ দেখিয়েছিল।” প্রভুকে গ্রহন করবার পরে পূর্বের জীবনের সাথে বর্তমান জীবনের পার্থক্য সম্বন্ধে জানতে চাইলে, জন্টি বললেন, “প্রভুকে আমার হৃদয়ে গ্রহন করবার পর থেকে আমার মধ্যে দেবার প্রবনতা অনেক বেড়ে গেছে। আমি বুঝতে পেরেছি, এ সমস্ত গৌরবের অধিকারী আমি নই। আমার জীবনের উদ্দেশ্য বুঝতে এবং আমার খেলোয়াড়ি জীবন গঠনে যীশু আমাকে সাহায্য করেছেন।”
ফেব্রুঃ 11 -
মার্টিন লুথারের সংক্ষিপ্ত জীবনী নির্বাচিত
মার্টিন লুথার জন্মগ্রহন করেন ১০ই নভেম্বর ১৪৮৩ খ্রীষ্টাব্দে এইসলবেন, স্যাক্সনি, পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যে। তিনি ছিলেন একজন জার্মান ধর্মযাজক এবং ধর্মতত্ত্বের অধ্যাপক। তিনি ষোড়শ শতকে প্রটেস্ট্যান্ট ধর্মবিপ্লবের সূত্রপাত করেন। ১৫১৭ খ্রীষ্টাব্দে “পাপ করে অর্থের বিনিময়ে বিধাতার শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়” – এই মতের তিনি কঠোর বিরোধিতা করেন। ১৫২০ খ্রীষ্টাব্দে পোপ লিও এক্স মার্টিনকে তার সমস্ত লেখা প্রত্যাহার করতে বলেন কিন্তু মার্টিন সেই আদেশ প্রত্যাখ্যান করেন। এতে ১৫২১ খ্রীষ্টাব্দে রোমান সম্রাট চার্লস ভী তাকে ধর্মযাজকত্য থেকে বহিষ্কার করেন।
লুথার শিক্ষা দেন যে ভাল কাজ করে মুক্তি অর্জন করা যায় না, বরং পাপমুক্তিদাতা হিসেবে যীশু খ্রীষ্টের উপর বিশ্বাস রাখার মাধ্যমে ঈশ্বরের উপহার হিসেবেই তা পাওয়া যায়। তার ধর্মতত্ত্ব রোমান ক্যাথলিক মন্ডলীর পোপের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে। লুথারের শিক্ষার সমর্থকদের ‘লুথারেন’ বলা হয়।
ল্যাটিনের পরিবর্তে তার অনুবাদকৃত জার্মান বাইবেল পাওয়ায় জার্মানীদের কাছে তা আরও ব্যবহারযোগ্য হয় এবং জার্মানের মন্ডলী ও সংস্কৃতিতে ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলে। এতে জার্মান ভাষায় বাইবেল আরও সমৃদ্ধি আনে, অনুবাদ শিল্পে বিভিন্ন নীতিমালা যুক্ত হয় এবং ইংরেজীতে কিং জেমস বাইবেল অনুবাদ করতে প্রভাবিত করে। তার লেখা প্রশংসা সংগীত চার্চে গান গাওয়ার প্রথা চালু উৎসাহিত করে। কাথারিনা ভন বোরাকে বিয়ে করার মাধ্যমে তিনি যাজকীয় বিবাহের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন যা প্রোটেষ্ট্যান্ট পুরোহিতদের বিয়ে করাকে সমর্থন করে। ১৫৩১ খ্রীষ্টাব্দ থেকে তিনি বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হন এবং দীর্ঘদিন সেই রোগে ভোগেন। ১৫৪৬ খ্রীষ্টাব্দের ১৮ই ফেব্রুয়ারী ৬২ বছর বয়সে তিনি মৃত্যু বরণ করেন।নভেমঃ 13 -
জ্ঞান তাপস সন্ন্যাসী জন স্টট
রেভা. জন স্টট যার প্রচার শুনতে ষ্টেডিয়াম পূর্ণ হয়নি, কিন্তু হয়েছিলো তাঁর বন্ধু বিলি গ্রাহামের প্রচার শুনতে। তিনি কোনো রাষ্ট্রপতির প্রারম্ভিক বাষণের সময় কোনো অভিমন্ত্রণ উচ্চারণ করেন নি। যেমন করেছেন রক্ ওয়ারেন, রাস্ট্রপতি বারাক ওবামার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে- তথাপি তিনি ছিলেন ইভানজেলিক্যাল ওয়ার্ল্ডে একটি বটবৃক্ষ। অনেকে মনে করেন তিনি ছিলেন সমকালীন সময়ে সর্বশ্রেষ্ঠ সু-সমাচার প্রচারক, কিন্তু তাঁর প্রচার পৃথিবীর অনেকেই শুনতে সুযোগ পায় নি।
পৃথিবীর বিখ্যাত সাপ্তাহিক সাময়িকি 'দ্য টাইম' ২০০৫ সালে পৃথিবীর ১০০ (একশত) প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের মধ্যে তাকে স্থান দিয়েছিলো। রেবা. জন স্টট গত মাসের (জুলাই ২৭ তারিখে ৯০ বছর বয়সে প্রভূতে নীত হয়েছেন। বার্ধক্যজনিত কারণে এই জ্ঞান তাপসের মহাপ্রয়াণ হয়েছে। তিনি চিরকুমার ছিলেন। মৃত্যুর সময় অজস্র গ্রন্থ তাকে ঘিরে রেকেছিলো। বইগুলোর সাথে কথা বলতে বলতেই চিরনিদ্রায় নিদ্রিত হয়েছেন।
তাঁর মৃত্যুতে বিলিগ্রাহাম বলেছেন, 'The Evangelical world has lost one of the greatest spokesmen, and I have lost one of my close personal friends and advisers. I look forward to seeing him again when I go to heaven.'
এই মহাযোগী মহাঋষির জন্ম হয়েছিলো এপ্রিল ২৭, ১৯২১ খ্রিষ্টাব্দে। তাঁর পিতা একজন নিরিশ্বরবাদী চিকিৎসক এবং মা ছিলেন লুথারিয়ান। সতের বছর বয়সে রাগবী প্রশিক্ষণ ক্যামে্পে একজন প্রচারকের (Rev. E. J. H. Nash) একটি প্রশ্ন তাকে বিচলিত করেছিলো। এই প্রশ্নটি পিলাত-সমবেত যিহুদী সমাজকে করেছিলেন, 'তবে যীশু যাহাকে খ্রিষ্ট বলে, তাহাকে কি করিব?' এই প্রশিক্ষণ শিবিরেই তিনি যীশুকে গ্রহণ করেছিলেন।
যৌবনে তার ইচ্ছে ছিলো কূটনৈতিক জীবকা গ্রহণের। প্রস্তুতির জন্য কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক ভাষা শাখায় ভর্তি হন এবং পরবর্তীতে ফ্রেঞ্চ ভাষায় প্রথম এবং জার্মানি ভাষায় দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন। আরো কিছু পরে ধর্মতত্ত্বে প্রতম স্থান লাভ করেন। ১৯৪৫ খ্রি. তিনি অল-সোলস চার্চ ল্যাংহাম প্রেস, লণ্ডনে অভিষিক্ত হন। সম্রাট ষষ্ঠ জর্জ যিনি চার্চ অফ ইংল্যাণ্ডের প্রধান ছিলেন, তাকে রেকটর মনোনীত করেন। অল-সোলস চার্চে তিনি তাঁর বর্ণাঢ্য জীবন কাটিয়েছেন। শহরে জীবনের বিচিত্র এবং বিক্ষিপ্ত জীবন, ধ্যান-ধারণা ইচ্ছে আকাঙ্খাকে তিনি শীলিত করেছেন তাঁর তীক্ষ্ণ এবং ক্ষুরধার প্রচারের মাধ্যমে বংশজাত খ্রিষ্টিয়ানকে উত্তরণ ঘটিয়েছেন সাক্ষ্যদায়ী খ্রিষ্টিয়ানে।
এ্যাংলিকান রক্ষণশীল চার্চের সদস্যদেরকে শিখিয়েছেন কিভাবে বাণী বাহক হতে হয়, নব বিশ্বাসীদের কিভাবে পরিচর্যা করতে হয়। বাণী গ্রহণকারীকে কিভাবে সাহায্য করতে হয়। রক্ষণশীল এ্যাংলিকান চার্চে তিনি ছিলেন র্যাডিকাল কিন্তু ক্ল্যাসিকাল। তার ছোট একটি বই বেসিক খ্রিষ্টিয়ানিটি (Basic Christianity) একটি অনবদ্য খ্রিষ্টিয় ক্ল্যাসিক বই যা ২৫ লক্ষ কপি বিক্রিত হয়েছে। বইটি পৃথিবীর নানান ভাষায় অনূদিত হয়েছে। সর্বমোট ৫০টি গ্রন্থের প্রণেতা ছিলেন তিনি। তাঁর প্রথম গ্রন্থ Personal Evangelism প্রকাশিত হয় ১৯৪৯ খ্রি., দ্বিতীয় গ্রন্থটি Becoming a Christian প্রকাশিত হয় ১৯৫০ খ্রি. এবং তৃতীয় গ্রন্থ Parochial Evangelism by the Laity প্রকাশিত হয় ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে। এগুলোও ছাড়াও রয়েচে 'The Cross of Christ', Issues Facing Christians Today' অন্যতম। তাঁর সর্বশেষ গ্রন্থটির নাম 'The Radical Disciple'।
বেসিক খ্রিষ্টিয়ানিটির বিক্রয়লব্ধ সমস্ত অর্থ দিয়ে তিনি সৃষ্টি করেছিলেন ল্যাংহাম পার্টনারসিপ ইন্টারন্যাশনাল (Langham Partnership International)। এই প্রতিষ্ঠানটি এ যাবৎ ১০০টি মেজর ওয়ার্ল্ড-এর (তৃতীয় বিশ্বের) তিনশত খ্রিষ্টিয় নেতৃত্ব গঠন করেছেন। তিনি কখনো তৃতীয় বিশ্ব বা টু-থার্ড ওয়ার্ল্ড বলতেন না, বলতেন মেজর ওয়ার্ল্ড। ঠিকই তো বিশ্বের মোট জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশই তো আফ্রো-এশিয়া এবং ল্যাটিন আমেরিকার দরিদ্র এবং বঞ্চিত মানুষ।
রেভা. জন স্টট দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন বাণী প্রচারই (সুসমাচার প্রচার) চার্চের একমাত্র কর্ম নয়। চার্চকে সামাজিক সমস্যাগুলি দারিদ্র, ক্ষুধা, বৈষম্য, সামাজিক অনায্যর বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ হতে হবে। কর্মহীন বিশ্বাসে তিনি বিশ্বাসী ছিলেন না। তিনি উচ্চকণ্ঠে প্রচার করেছেন, বর্তমান বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তন, দারিদ্রমুক্ত বিশ্ব, ঋণগ্রস্ত দেশগুলির ঋণ মওকুফ বিষয়গুলি নিয়ে।
বিশ্ব খ্রিষ্টিয় ইতিহাসের একটি মাইলফলক হলো 'দ্যা ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অন ওয়ার্ল্ড ইভানজেলিজম'। ড. বিলি গ্রাহাম ১৯৭৪ সালে সুইজারল্যান্ডের লুজান শহরে 'Let the Earth hear His Voice' মূলসুরের উপর বিশ্ব খ্রিষ্টিয় সম্মেলন আহবান করেছিলেন (১৬-২৫ জুলাই, ১৯৭৮)। একশ পঞ্চাশটি দেশ থেকে ৮০৫১ জন নেতৃবৃন্দ এই সম্মেলনে বা কংগ্রেসে যোগদান করেন। কংগ্রেসে লুজান ঘোষণাপত্র বা লুজান কভনেন্ট নামক একটি দলিল গ্রহণ করা হয়। এই সম্মেলনের ঘোষণাপত্র থেকে উঠে এলো একটি নতুন চিন্তা, নতুন দিক-নির্দেশনা। আর সেটি হলো সেবামূলক কাজকে ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান। অর্থাৎ একটি দাতব মুদ্রার এটিঠ হলো প্রচার অন্য পিঠ হলো সমাজ সেবা। লুজান ঘোষণাপত্রে পঞ্চম অনুচ্চেদে ঘোষণা করা হলো- We affirm that God is both the Creator and the Judge of all man. We therefore should share his concern for justice and reconciliation throughout human society and for the liberation of man from every kind of oppression. Because mankind is made in the image of God, every person, regardless of race, religion, colour, culture, class, sex or age, has an intrinsic dignity because of which he should be respected and served, not exploited. Here too we express penitence both for our reflect and for having sometimes regarded evangelism and social concern as mutually exclusive. Although reconciliation with man is not reconciliation with God, nor is social action evangelism, nor is political liberation salvation, nevertheless we affirm that evangelism and socio=political involvement are both part of our Christian duty. For both are with man is necessary expressions of our doctrines of God and man, our love for our neighbor and our obedience to Jesus Christ. The message of salvation implies also a message of judgment upon every form of alienation, oppression and discrimination, and we should not be afraid to denounce evil and injustice wherever they exist. When people receive Christ they anre born again into his kingdom and must seek not only to exhibit but also to spread its righteousness in the midst of an unrighteous world. The salvation we claim should be transforming us in the totality of our personal and social responsibilities. Faith without works is dead. (আমরা স্বীকার করি যে, ঈশ্বর হরেন সকল মানুসের সৃস্টিকর্তা ও বিচারকর্তা-উবয়ই। তাই ন্যায়বিচার ও সমগ্র মানব সমাজব্যাপী পুনর্মিলন এবং সকল অত্যাচার ও নিপীড়ন থেকে মানুষের পরিত্রাণ সম্পর্কে ঈম্বরের চিন্তা ও আকাঙ্খা মানষের কাছে আমাদের তুলে ধরা উচিত। কারণ মানুষ ঈশ্বরেরই প্রতিমূর্তিতে সৃস্ট হয়েছে, প্রত্যেক ব্যক্তি তা সে যে কোনো জাতি, ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণী, কৃষ্টি, লিঙ্গ বা বয়সেরই হোক না কেন তার এক বিশেষ মর্যাদা রয়েছে, সে কারণেই তাকে শোষণ বা নিপীড়ন নয় বরং সম্মান ও সেবা করা উচিত। এ বিষয়টিকে অবহেলা করার জন্য এবং কখনও কখনও সুসমাচার প্রচার ও সামাজিক সেবামূলক দায়িত্বকে পরস্পর আলাদা ও স্বতন্ত্রভাবে দেখার জন্য আমরা গভীর অনুতাপ ও দুঃখ প্রকাশ করছি। যদিও মানুষের সাথে পুনর্মিলনই ঈশ্বরের সাথে পুনর্মিলন নয়, কিংবা সামাজিক সেবামূলক কাজই সুসমাচার প্রচার নয়, অথবা রাজনৈতিক স্বাধীনতাই পরিত্রাণ নয়; এতদসত্ত্বেও আমরা স্বীকার করি যে, সুসমাচার প্রচার কাজ এবং সামাজিক-রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এই উভয়ই হলো আমাদের খ্রিষ্টয় দায়িত্বেরই অংশ বিশেষ। কারণ এই উভয়ই হলো ঈশ্বর এবং মানুষ, প্রতিবেশীদের জন্য আমাদের ভালোবাসা এবং যীশু খ্রিষ্টের প্রতি বাধ্যতা সম্পর্কে আমাদের মতবাদের প্রয়োজনীয় অভিব্যক্তিস্বরূপ। পরিত্রাণের বাণী একই সাথে বিচারের বাণী হিসেবেও প্রযোজ্য, সকল প্রকারের বিরোধিতা, নিপীড়ন এবং বৈষম্যের প্রতি এটি হলো বিচারের বাণীস্বরূপ এবং যেকানেই মন্দতা ও অবিচার থাকুক না কেন তার বিরুদ্ধে কতা বলতে আমাদের মোটেই ভীত হওয়া উচিত নয়। লোকেরা যখন ক্রিষ্টকে গ্রহণ করে তখন তারা ঈশ্বরের রাজ্যে নতুনভাবে জন্মগ্রহণ করে এবং এই অধার্মিকতাপূর্ণ পৃথিবীতে তাদের শুধুমাত্র ঈশ্বরের রাজ্যের ধার্মিকতা প্রকাশ করাই যথেষ্ট নয় কিন্তু এই ধার্মিকতা বিস্তারের জন্যও অবশ্যই চেষ্টা করা উচিত। আমরা যে পরিত্রাণের দাবী করি তা সামগ্রিকভাবে আমাদের ব্যক্তিগত এবং সামাজিক দায়িত্বের ক্ষেত্রে আমাদের জীবনকে অবশ্যই রূপান্তরিত করবে। কর্মবিহীন বিশ্বাস মৃত)।
একটি নতুন দিকমাত্রা সমাজসেবা (সোস্যাল ওয়ার্ক) ইভানজেলিক্যালদেরকে প্রদীপ্ত করলো। তৃতীয় বিশ্বের দারিদ্র হ্রাস ও অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য নতুন নতুন সংগঠন সৃস্টি হলো। উন্নত বিশ্বের দেশগুলিতে সৃষ্টি হলো টিয়ার ফাণ্ড (TEAR Fund: The Evangelical Alliance of Relief) ওয়ার্ল্ড রিলিফ, ওয়ার্ল্ড কনসার্ন ইত্যাদি নতুন সংস্থা। ওয়ার্ল্ড বিশন পঞ্চাশ দশকে কোরিয়ান যুদ্ধের সময় সৃষ্টি হলেও লুজান কভনেন্ট তাদেরকে আরো এগিয়ে দিলো।
পূর্বেই উল্লেখ করেছি যে, তিনি চিরকুমার ছিলেন। শুধু চিরকুমার বললে তাকে অমর্যাদা করা হবে। তিনি সন্ন্যাসীর জীবন যাপন করতেন। বছরের তিনমাস তিনি ওয়েলেস-এর একটি নিরব নির্জন এবং নিভৃত পল্লীতে কাটাতেন এবং এখানে বসেই লণ্ঠনের আলোয় তিনি রচনা করেছেন বেশির ভাগ গ্রন্থ। পরে এই গৃহকে তাঁর অমতে বৈদ্যুতিক সংযোগ প্রদান করা হয়।
শ্রীলঙ্কার অজিত ফার্নাণ্ডো তাঁর সম্পর্কে বলেছেন, 'We are grateful that he gave so much time coming to the poorer nations not with some huge program which would empress the whole World, but simply to teach us the Bible'. ল্যাটিন আমেরিকার ধর্মতত্ত্ববিদ রেণে পাদেলিয়া ড. জন স্টটের সম্পর্কে তাঁর বাস্তব অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছিলেন, 'একদিন আমি এবং ড. জন স্টট আর্জেন্টিনা'র একটি ছোট শহরে যাচ্ছিলাম, পথে প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিলো-আমরা দুজনেই বৃষ্টিতে ভিজে গেলাম- আমাদের জুতো কাদায় ভরে গেল। রাত্রে দু'জনে একটা কক্ষে ঘুমালাম কিন্তু ভোরে জুতোর ব্রাশ করার শব্দে ঘুম ভেঙ্গে গেল। তাকিয়ে দেখি জন আমার কর্দমাক্ত জুতো জোড়া নিজ হাতে পরিষ্কার করছেন। আমি বাঁধা দিলাম। তিনি বললেন, 'রেণে যীশু বলেছেন যেন আমরা একে অপরের পা ধুইয়ে দিই। কিন্তু তোমার পা ধোয়ার প্রয়োজন নেই, তাই আমি তোমার জুতো পরিষ্কার করছি।'আগস্ট 27 -
আর্চ বিশপ মাইকেল রোজারিও ডি ডি
শুলপুর ধর্মপল্লরি শুলপুর গ্রামের মাদ্বর বাড়ীতে সাধারণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ঢাকা প্রয়াত আর্চ বিশপ মাইকেল রোজারিও। স্বর্গীয় উরবান রোজারিও ও স্বর্গীয়া ভিক্টরিয়া পিরীজের আট সন্তানের মধ্যে চতুর্থ সন্তান ছিলেন আর্চ বিশপ। তাঁর ভাই বোনগণ হলেন যথাক্রমে স্বর্গীয় জন রোজারিও, স্বর্গীয় লুইস মনু রোজারিও, মিসেস সুজানা রোজারিও, মিসেস তেরেজা রোজারিও, স্বর্গীয় পল নিকোলাস রোজারিও, স্বর্গীয় ফ্রান্সিস রোজারিও এবং মিসেস মার্থা রোজারিও।সেপ্টঃ 27 -
বিশপ যোয়াকিম রোজারিও সি, এস, সি
শুলপুরের আরেক কৃতি সন্তান চট্টগ্রাম ধর্মপ্রদেশের সাবেক বিশপ, শ্রদ্ধেয় বিশপ যোয়াকিম রোজারিও ১৯৩০ সালে ২রা সেপ্টেম্বর বড়ইহাজী গ্রামে এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি স্বর্গীয় এডোয়ার্ড রোজারিও (ইটু মাষ্টার) ও মারিয়ার রোজারিও’র জ্যোষ্ঠ পুত্র। তার পাঁচ ভাই ও বোনরা হলেন যথাক্রমে মিঃ পল রোজারিও, মিসেস স্বর্ণ রোজারিও, মি: সুবোধ রোজারিও, মিসেস সুষমা রোজারিও এবং মিঃ প্রমোদ রোজারিও।
সেপ্টঃ 19 -
Show all entries from জীবনী ও সাক্ষ্য
নতুন পোষ্ট
-
প্রার্থনার বিষয়

- প্রভু, আমি প্রয়োজন ছাড়া বিস্তারিত বিবরণ দেয়া থেকে বিরত থাকি, আর তা আগামীকাল বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টা ৪১ মিনিট থেকে শুরু করতে পারলে ভাল হয়।
- প্রভু, আমাকে আশির্বাদ করো, যেন আমি অন্যের আবেগ বুঝতে পারি, যদিও বেশির ভাগ লোকই ফালতু কথা বলে।
- প্রভু, আমাকে আশির্বাদ করো, যেন আমি আমার ভুলের দায় ভার নিজে নিতে পারি, যদিও আমি কোন ভুল করি না।
- প্রভু, আমি যেন অন্যের ব্যপারে বেশি নাক গলানো কমাতে পারি। কিন্তু তোমার কোন কাজে সাহায্য লাগলে আমাকে জানাতে পারো।
- প্রভু, আমি যেন আমার অধিকারের জন্য শক্তভাবে দাড়াতে পারি। ভুল বললে ক্ষমা কোরো।
- প্রভু, আমাকে আশির্বাদ করো, যেন আমি আমার কাজে মনোযোগ দিতে পারি। যেমনঃ পার্টি, কন্সার্ট...
- প্রভু, আমাকে আরও ধৈর্য্য দাও, এখনই দাও, তারাতারি দাও।
- প্রভু, আমাকে আশির্বাদ করো, যেন আমি ছোট-খাটো ভুলের দিকে নজর না দেই, আমার বানান টা কি ঠিক ছিলো?
- প্রভু, আমাকে আশির্বাদ করো, যেন আমি যা শুরু করি, তা ঠিক মত শেষ কর...
- প্রভু, আমাকে আশির্বাদ করো, যেন আমি একটি বিষয়ে লক্ষ - বাহ্ কি সুন্দর পাখি - স্থির রাখতে পারি।
- প্রভু, আমাকে আশির্বাদ করো, যেন আমি অন্যের ধারনা গ্রহন করতে পারি, যদিও তাদের প্রায় সব ধারনাই ভুল।
- প্রভু, আমাকে আশির্বাদ করো, যেন আমার গতি একটু ধীর হয় আর সবকিছুতেতাড়াহুড়ানাকরি।
- প্রভু, ওদের উপরে প্রতিশোধ নিতে আমাকে সাহায্য করো, কারন ওরা আমাকে অনেক কষ্ট দিয়েছে। আর আমার পাপের ক্ষমা করার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ।
- প্রভু, আমার জীবন আমি তোমার জন্য উৎসর্গ করছি, তাই এখন আমাকে আমার মত চলতে দাও।
অক্টোঃ 15 -
পিঠা!
একদিন সন্ধ্যায় একজন মহিলা ঘরে বসে তার ছেলেদের জন্য পিঠা বানাচ্ছিলেন। প্রথম পিঠাটি কে খাবে এই নিয়ে তার দুই ছেলে ম্যালভিন ও ক্যাভিন তর্ক করছিল।
মা এই তর্ক দেখে তাদের ডেকে বললেন, "তোমাদের জায়গায় যদি যীশু থাকতেন, তাহলে তিনি বলতেন, প্রথমে আমার ভাইকে খেতে দাও"।
সঙ্গে সঙ্গে ম্যালভিন, ক্যাভিনের দিকে তাকিয়ে বলল, "আজকে তাহলে তুমিই যীশু"!অক্টোঃ 15 -
বিমান দুর্যোগ
একজন ডাক্তার, একজন আইনজীবি, একটি বাচ্চা ছেলে এবং একজন পালক একটি ছোট বিমানে চড়ে কোথাও যাচ্ছিলেন। হঠাৎ বিমানটির ইঞ্জিনে গন্ডোগোল দেখা দিলো। পাইলট অনেক চেষ্টা করেও ইঞ্জিন স্টার্ট করতে পারলো না। শেষে যখন বিমানটি দ্রুত নিচের দিকে পড়ে যাচ্ছিল, তখন পাইলট সবাইকে প্যারাসুট নিয়ে বিমান থেকে লাফ দেয়ার নির্দেশ দিলেন এবং নিজেও তাই করলেন।
কিন্তু সবাই খোঁজা-খুজি করে মাত্র তিনটা প্যারাসুট পেল।
ডাক্তার একটি প্যারাসুট নিয়ে বললেন, "আমি একজন ডাক্তার, আমি মানুষের জীবন বাচাঁই, তাই আমার বেচে থাকা দরকার"। বলেই তিনি ঝাপ দিলেন।
আইনজীবি বললেন, "আমি একজন আইনজীবি, আর আইনজীবিরা পৃথিবীতে সবচাইতে বুদ্ধিমান। তাই আমার বেঁচে থাকার অধিকার আছে"। বলেই তিনি একটি প্যারাসুট নিয়ে ঝাপ দিলেন।
পালক ছোট্ট ছেলেটির দিকে তাকিয়ে বললেন, "বাবা, আমি তো পৃথিবীতে দীর্ঘ জীবন পার করেছি, আর কত দিনই বা বাঁচবো! তুমি এখনও ছোট, তোমার সামনে সারা জীবন রয়েছে। তুমি এই প্যারাসুট নাও আর শান্তিতে জীবন যাপন করো"।
ছোট ছেলেটি প্যারাসুটটি ফেরত দিয়ে বলল, "চিন্তা করবেন না, পৃথিবীর সবচাইতে বুদ্ধিমান ব্যক্তি আমার স্কুল ব্যাগ নিয়ে ঝাপ দিয়েছে!"অক্টোঃ 15 -
তিনটি গাছের গল্প
অনেকদিন আগে একটা পাহাড়ে তিনটা গাছ ছিলো, তারা তাদের আশা ও স্বপ্ন নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলাপ করছিলো। প্রথম গাছটি বলল, আমি চাই আমাকে দিয়ে একটা গুপ্তধনের শিন্দুক বানানো হবে। তার ভিতরে সোনা রূপা আর দামি দামি পাথর দিয়ে ভরতি থাকবে। অনেক সুন্দর আর কঠিন খোদাই করে আমাকে তৈরি করা হবে। সবাই আমার সুন্দর্য্য দেখতে আসবে।
ডিসেঃ 02 -
একটি স্বপ্ন, না একটি রূপকল্প?
ভাবছিলাম বসে বসে। ‘কাজ নেই তো খই ভাজ’ ধরণের ব্যাপার আর কি। ভাবছিলাম বাংলাদেশের চার্চগুলোর কথা, বিশ্বাসী জনগণের কথা, তাদের জীবন যাপন ইত্যাদি নিয়ে। ভাবছিলাম . . . এমন সময় দেখলাম একটি চার্চের গণ্যমান্য একজন (সম্ভবতঃ চার্চের সেক্রেটারী বা ঐ ধরণের কেউ হবেন)। তিনি সামনের রাস্তা দিয়ে হেঁটে আমার কাছে এলেন। ভাবলাম কি ব্যাপার, হঠাৎ এ রকম একজন লোক আমার ঘরে! আমার সমস্ত সন্দেহ নিরসন করে তিনি আমাকে বললেন, ‘পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম, ভাবলাম আপনার সঙ্গে দেখা করে যাই।’ চট করে মাথায় এক বুদ্ধি এল। আমি বললাম, “আপনি যখন এসেই পড়েছেন আমার পক্ষে খুবই ভাল হলো। না হয় আমিই যেতাম আপনার কাছে।”
আগস্ট 17 -
Show all entries from গল্প
নতুন পোষ্ট
-
এলো বড়দিন
এলো বড়দিন, এলোরে আবার
এলো এ ধরনী মাঝে -
প্রেমের বীণায় মূর্চ্ছনা তাই
উঠল আবার বেজে।
স্বর্গ, মত্য হলো একাকার
আনন্দ, উচ্ছ্বাসে -
এলোরে দয়াল মাটির ধরায়
পাপীরে ভালোবেসে।।এলো বড়দিন, এলোরে আবার
নিয়ে মুক্তির বাণী -
প্রতি অন্তরে, প্রতি ঘরে ঘরে
গান হয়ে জাগরণী।
ঘুঁচালো পাপের কালো,
ভরালো জীবন প্রেম ও ক্ষমায়
জ্বেলে পুণ্যের আলো।।ডিসেঃ 05 -
অনুকাব্য
স্বর্গ আর নরক কোথায় কে জানে?
তবুও ধীরে ধীরে যাচ্ছি তারি পানে।
তুমি যদি ভাল হও আমি কি তবে মন্দ?
তোমার সাথে আমার কি হবে পার্থক্য?
ভাবিয়া করিও কাজ করিয়া ভাবিও না
করিয়া ভাবিলে পাবে কি সান্তনা?
ঢাকার শহর রইবেনা আর খালি
ভরবে নগর বিল্ডিং আর বাড়ী।প্রাণ থাকলেই প্রাণী হয়,
আর মন থাকলে মানুষ
কিন্তু-
মানুষ কথন প্রাণী হয়,
আর প্রাণী কথন মানুষ?
সকলেই ভাবে নিজের কথা
পরেরটা ভাবেনা কেউ,
প্রত্যেকেরই ভাই একই নীতি-
বোঝে নাতো কেউ।নভেমঃ 17 -
তোমার আলো জ্বেলে বুকে
তোমার আলো জ্বেলে বুকে
জানিয়ে দেবো পৃথিবীকে -
তুমি যে মুক্তিদাতা , প্রভু তুমিই পরিত্রাতা -২
তুমিই পথ , সত্য , জীবন
তুমিই যে বিধাতা।
ফিরবনা পিছু কোন কারণে
প্রাণ সংশয়ে , বিপদের ভয়ে -
আমার কন্ঠ যাবে গেয়ে
তুমিই জীবনদাতা।
স্বর্গ মর্ত্যে ধ্বনীছে সদা
তোমার কথা , তোমার গাঁথা
জেনেছি বিশ্ব জগৎ মাঝে
তোমার আসন পাতা।নভেমঃ 13 -
যীশু মোরা শপথ নিলাম
যীশু মোরা শপথ নিলাম
প্রচারিব তোমার বানী -
পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে -
ও প্রান্তখানি।
বলব সবারে প্রভু তোমার কথা
জানাবো সবারে তুমি মুক্তিদাতা ।......
ত্রুশের উপর হতে , আপনার শত্রুকে
শোনালে ক্ষমার বানী।
পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে -
ও প্রান্তখানি।
আঁধার জীবন নিতে আলোর পথে
স্বর্গ হতে এলে পথ দেখাতে - ......
সকল পাপীর তরে , কালভেরী ত্রুশোপরে
দিলে যে জীবনখানি।
পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে -
ও প্রান্তখানি।নভেমঃ 13 -
আমার হৃদয় মন্দিরে
আমার হৃদয় মন্দিরে প্রভু
তোমায় আমি ডাকি - ২
অন্তর মাঝে বিশ্বাসেরই
প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখি ।
আসবে তুমি ডাকবে আমায়
প্রতীক্ষাতে থাকি।
জানি এ জীবন ক্ষণস্থায়ী
নিশীথ স্বপন সম
প্রতি পদে কত করি অপরাধ
সেই সব কিছু ক্ষম ।..
জগৎ পাপের কালিমায় ঢাকা
তুমি প্রভু অনুপম।
অন্তর মাঝে ..................
তাইতো এসেছি তোমার চরণে
তোমাকেই প্রভু ডাকি -
তোমার পথে আছে জীবন
অন্য সকলই ফাঁকি ।..
তোমার সত্য পথের আলোয়
জীবন ভরিয়ে রাখি।
অন্তর মাঝে .................নভেমঃ 02 -
Show all entries from কবিতা
নতুন পোষ্ট
-
উইকলিফ বাইবেল অনুবাদ প্রতিযোগীতা নির্বাচিত
বিশ্বের অন্যতম বাইবেল অনুবাদ প্রতিষ্ঠান উইকলিফ এই প্রথম বিশ্ব ব্যাপি একটি বাইবেল অনুবাদ কুইজ প্রতিযোগীতার আয়োজন করেছে। এই প্রতিযোগীতায় বন্ধুদের আমন্ত্রন এবং কুইজের সঠিক উত্তর দেয়ার মাধ্যমে পয়েন্ট সংগ্রহ করা যাবে। প্রতি সপ্তাহে সর্বোচ্চ পয়েন্ট সংগ্রহকারীকে আইপড, কিন্ডেল, আইপ্যাড সহ অর্লেন্ডো, ফ্লোরিডায় উইকলিফের ডিসকভারী সেন্টারে চারজনের ভ্রমনের টিকিট পুরস্কার দেয়া হবে। আগামী ১৪ই মে ২০১২ থেকে প্রতিযোগীতা শুরু হতে যাচ্ছে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পৃথিবীর যে কেউ এই প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহন করতে পারবে। রেজিষ্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন।মে 08 -
স্বর্গীয় রেভাঃ স্মীথ আর. অধিকারীর ৭ম মৃত্যু বার্ষিকী
জন্ম ১০ই আগষ্ট, ১৯৪২ খ্রীঃ – প্রভুতে গমন ২১শে মার্চ, ২০০৫ খ্রীঃ
খ্রীষ্টেতে প্রিয় ভাই ও বোন,
আপনাদের সকলকে আমাদের খ্রীষ্টিয় প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। প্রভুর দয়াতে সকলে ভালো আছেন, এ বিশ্বাস আমাদের আছে। দেখতে দেখতে আমরা আবার উপস্থিত হয়েছি প্রভুতে নিদ্রিত রেভাঃ স্মীথ আর. অধিকারীর ৭ম স্মৃতি বার্ষিকীর সম্মুখে। বিগত ২১শে মার্চ ২০০৫ সনের এই দিনে প্রভু তাকে তুলে নিয়েছিলেন তাঁর আশ্রয়ে। মণ্ডলী ও পরিবারের জীবনের দিনটি ফিরে আসে বার বার। তাকে আমরা হারালেও তার পরিচর্যার আদর্শ, পরিবারের ভালোবাসা নিয়ে আসে এই দিনের সামনে, আমাদের সকলকে।
আর তাই আসছে ২১/০৩/২০১২ তারখ বুধবার সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিটে বেথেল এ.জি চার্চে তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানিয়ে, পরিবার ও বেথেল মণ্ডলীর পক্ষ থেকে একটি ধন্যবাদ ও স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়েছে।
উক্ত সভায় আপনি সবান্ধবে উপস্থিত হলে আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ থাকবো।
বেথেল এ.জি চার্চ
৪০১/১ নিউ ইস্কাটন রোড
মগবাজার, ঢাকা-১০০০
সময়ঃ সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিট
ইতি
বিনীত
পরিবার ও মণ্ডলীর পক্ষে
পালক ও পরিবারবর্গমার্চ 14 -
আদিবাসীরা কি ডাইনিবিদ্যাতে বিশ্বাস করে
গত ২ ফেব্রুয়ারি দৈনিক সংবাদের ত্রয়োদশ পাতায় বক্স করা সংবাদ ছিল 'পীরগঞ্জের আদিবাসী পল্লীতে ডাইনি আতঙ্ক : গণক আটক'। বিষয়টি নিয়ে লিখতে সত্যিই আমি উজ্জীবিত হয়েছি। আদিবাসীরা কি ডাইনিবিদ্যাতে বিশ্বাস করে! উত্তর হচ্ছে হ্যাঁ।মার্চ 05 -
স্যামসন চৌধুরী আর নেই
বিশিষ্ট শিল্পপতি ও স্কয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান স্যামসন এইচ চৌধুরী মারা গেছেন। সিঙ্গাপুরের র্যাফেলস হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত রোগে ৫ই জানুয়ারী বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ১০টার (বাংলাদেশ সময়) দিকে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে, পাঁচ নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
জানা গেছে, কয়েক মাস ধরে স্যামসন এইচ চৌধুরী নিয়মিতভাবে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। কয়েক দিন আগে উন্নততর চিকিৎসার জন্য তিনি সিঙ্গাপুরে যান। মৃত্যুকালে তাঁর ছেলেরাসহ ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজন পাশে ছিলেন।
মৃত্যুর খবর পৌঁছালে মহাখালীতে স্কয়ার শিল্পগোষ্ঠীর প্রধান কার্যালয়সহ সব অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে।
দীর্ঘ পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে স্যামসন এইচ চৌধুরী বাংলাদেশের শিল্প, কৃষি, সেবা, আর্থিক খাতে বিনিয়োগ করেছেন। অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রেখেছেন।
১৯৫৮ সালে স্কয়ার ফার্মা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে যাত্রা শুরু করেন। এরপর তিনি একে একে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। ওষুধ, পোশাক, গণমাধ্যম, সেবা খাতসহ বর্তমানে স্কয়ার শিল্পগোষ্ঠীর অধীনে ১৯টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কয়েক হাজার কর্মী কাজ করছেন।
শোক: দেশের শিল্পোদ্যোক্তাদের এই অগ্রপথিকের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান গতকাল এক শোক বার্তায় বলেছেন, স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যালসসহ অন্যান্য শিল্প বিকাশে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে এসেছেন।
স্যামসন এইচ চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ও ওষুধশিল্পের আধুনিকায়নে তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিরোধী দলের নেতা খালেদা জিয়াও গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
আরও শোক প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, পরিকল্পনামন্ত্রী এ কে খন্দকার, শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আব্দুস শহীদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান প্রমুখ।
এ ছাড়া শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই), ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি), বেক্সিমকো শিল্পগোষ্ঠী, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব), বাংলাদেশ খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবি) প্রভৃতি।
শোক প্রকাশ করে ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান বিবিসিকে বলেছেন, ‘বলতে গেলে কয়েক যুগ ধরে একসঙ্গে আমরা কাজ করেছি। তিনি অত্যন্ত নীতিনিষ্ঠ ও বিনয়ী ছিলেন।’
জীবনরেখা: স্যামসন এইচ চৌধুরী ১৯২৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা ই এইচ চৌধুরী ও মা লতিকা চৌধুরী। তাঁর স্ত্রীর নাম অনিতা চৌধুরী। বর্ণিল কর্মময় জীবনের অধিকারী স্যামসন চৌধুরী তিন ছেলের জনক। তাঁর ছেলে তপন চৌধুরী, অঞ্জন চৌধুরী ও স্বপন চৌধুরী ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
১৯৩০-৪০ সাল পর্যন্ত তিনি কলকাতার বিষ্ণুপুর উচ্চবিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। এখান থেকেই তিনি সিনিয়র কেমব্রিজ ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি স্কুল থেকে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ডিপ্লোমা ডিগ্রি লাভ করেন।
স্যামসন চৌধুরী মেট্রোপলিটন চেম্বার, ওষুধ শিল্প সমিতি এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজের সভাপতিও ছিলেন। যুক্ত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশের সঙ্গে। ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল ক্রিশ্চিয়ান চেম্বার অব কমার্সের সদস্য।
কর্মময় জীবনের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হন। এর মধ্যে আছে: দ্য ডেইলি স্টার এবং ডিএইচএল প্রদত্ত বিজনেসম্যান অব দ্য ইয়ার (২০০০) এবং আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের (অ্যামচেম) বিজনেস এক্সিকিউটিভ অব দ্য ইয়ার (১৯৯৮)। বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত স্যামসন চৌধুরী টিআইবির প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি।
১৯৮৫ সাল থেকে পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য ব্যাপ্টিস্ট ওয়ার্ল্ড অ্যালায়েন্সের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ছিলেন ন্যাশনাল ক্রিশ্চিয়ান ফেলোশিপ অব বাংলাদেশের সভাপতি। তিনি বাংলাদেশ বাইবেল সোসাইটির আজীবন সদস্য ছিলেন।তথ্যসূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো
জানুঃ 12 -
ডঃ এন্ড্রু বাড়ৈ-এর জন্য প্রার্থনা করুন
গত ২৬শে ডিসেম্বর দুপুর ১২টার দিকে রাঙামাটি যাবার পথে ডঃ এন্ড্রু বাড়ৈ রোড দুর্ঘটনায় আহত হন। সিএনজি অটো রিকশার সাথে ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে তিনি চরম ভাবে আহত হন এবং তার শরীরের প্রায় ১৮টি হাড় ভেঙ্গে যায়। ২৮শে ডিসেম্বর তাকে ট্রমা সেন্টার আর্থপেডিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং এখন তিনি ৪০৭ নাম্বার কেবিনে চিকিৎসাধীন আছেন। তার হাতে এবং লাঞ্চে দুইটি সার্জারী করা হয়েছে তবে তার হাতের রক্তক্ষরন এখনো বন্ধ হয় নি। তার ছেলে গাব্রিয়েল বাড়ৈ (ডালিম) জানান তার বাবা এখন একটু ভালোর দিকে এবং তার শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করে ডাক্তার পরবর্তী পদক্ষেপ নিবেন। ডঃ এন্ড্রু বাড়ৈ-এর পরিবার তার জন্য সবার কাছে প্রার্থনা চেয়েছেন। জানুঃ 06 -
Show all entries from সংবাদ

