জন্টি রোডস

Posted by রোজলেন্ট চৌধুরী
রোজলেন্ট চৌধুরী
wish i can cooking like my mother......
ব্যবহারকারী বর্তমানে অফলাইন
- 11 ফেব্রুয়ারী 2012
বিষয়ঃ জীবনী ও সাক্ষ্য

উদ্দেশ্য সম্বন্ধে ভাবুন!

অস্তিত্বের অর্থই হচ্ছে নিজের ভিতরের শান্তি এবং পরিপূর্নতার অন্বেষণ করা। গত বিশ্বকাপের উত্তেজনাপূর্ন মুহুর্তটি ছিল, যখন জন্টি রোডস তার চির পরিচিত সেই উড়ন্ত ডাইভের মাধ্যমে পাকিস্তানী ব্যাটস্ম্যান ইনজামাম-উল-হককে রান আউট করেন। এই রকম চমৎকার নৈপন্য প্রদশনের জন্য জন্টি রোডস অনেকের দ্বারা ক্রিকেটে শ্রেষ্ঠ ফিল্ডারের সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন এবং তিনি সাম্প্রতিক সময়ের একজন প্রসিদ্ধ খেলোয়াড় হয়ে উঠেছেন। তার নিজের দল সাউথ আফ্রিকা সেই রাউন্ড রনিন ম্যাচটি জিতেছিল। এই ম্যাচটিকে টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ান হতে যাওয়া দলের বিরুদ্ধে জন্টির ম্যাচ হিসাবে সবসময় স্মরণ করা হয়। আন্তর্জাতিক শ্রেণীর একজন ব্যাটস্ম্যান ও ফিল্ডার হিসাবে এবং সাউথ আফ্রিকার একজন চমৎকার হকি খেলোয়াড় হিসাবে, তিনি যে সকল কৃতিত্ব দেখিয়েছেন তাতে করে তিনি অভূতপূর্ব জনপ্রিয়তার উপাধি “ফ্রিরিটি” হিসাবে পরিচিত ছিলেন। জন্টি তার এই বিশেষ দক্ষতার জন্য ঈশ্বরের নিকট সত্যি কৃতজ্ঞ এবং বিনম্র ছিলেন। অনুসারী ছিলেন। ঈশ্বরের সাহচর্যে কেইট-এর হৃদয়ে যে শান্তি ছিল তা আমি দেখেছিলাম এবং আমিও সেই একই শান্তি চাইছিলাম। সেই সময়ে আমি মাত্র জাতীয় ক্রিকেট ও হকি দলে অন্তর্ভূক্ত হয়েছিলাম এবং যথেষ্ট চাপের মধ্যে থাকার কারনে জীবনের সত্যিকারের কষ্ট অনুভব করেছিলাম। এক রাত্রে আমি নিজে নিজেই ভাবছিলাম, “জন্টি তুমি আর কোথাও যাচ্ছ না।” “আমি জানতাম আমার জীবনে প্রভুকে প্রয়োজন, তাই আমি নিয়মিত পিটার মার্টিবার্গের চার্চে যাওয়া শুরু করলাম। এক রাতে চার্চের পরে আমি পরিচর্যাকারী এ্যারোল জ্যাকোবিকে ধরলাম এবং তার কাছে এই ব্যাপারে সাহায্য চাইলাম। তিনি আমাকে সেই চার্চের পিছনের একটি ঘরে যেখানে পাপ স্বীকার করা হয়, সেখানে নিয়ে গেলেন। এটাই ছিল সঠিক সাহায্য, কারন এটা ছিল সেই জায়গা যেখানে আমি আমার হৃদয় খুলে কেদেছিলাম এবং প্রভুকে আমার হৃদয় সমর্পণ করেছিলাম।” জন্টি বুঝতে পারলেন যে, তার এই নতুন জন্মের অভিজ্ঞতার সমস্তটাই সম্ভব হয়েছে কেইট-এর সঙ্গে তার পরিচয় হবার ফলে, যে এখন তার স্ত্রী। “আমি এখন জানি কেন প্রভু আমাদেরকে একসঙ্গে রেখেছেন, কারন কেইট ছিল তেমনি একজন যে আমাকে সঠিক পথ দেখিয়েছিল।” প্রভুকে গ্রহন করবার পরে পূর্বের জীবনের সাথে বর্তমান জীবনের পার্থক্য সম্বন্ধে জানতে চাইলে, জন্টি বললেন, “প্রভুকে আমার হৃদয়ে গ্রহন করবার পর থেকে আমার মধ্যে দেবার প্রবনতা অনেক বেড়ে গেছে। আমি বুঝতে পেরেছি, এ সমস্ত গৌরবের অধিকারী আমি নই। আমার জীবনের উদ্দেশ্য বুঝতে এবং আমার খেলোয়াড়ি জীবন গঠনে যীশু আমাকে সাহায্য করেছেন।”

ট্যাগঃ ট্যাগ নেই
দেখা হয়েছেঃ 70 0 টি মন্তব্য
Posted by সবুজ চৌধুরী
সবুজ চৌধুরী
God did not give us a spirit of fear.
ব্যবহারকারী বর্তমানে অফলাইন
- 13 নভেম্বর 2011
বিষয়ঃ জীবনী ও সাক্ষ্য

লুকাস ক্রানেচ এল্ডার ১৫৩৩ সালে মার্টিন লুথারের এই ছবিটি আঁকেন।মার্টিন লুথার জন্মগ্রহন করেন ১০ই নভেম্বর ১৪৮৩ খ্রীষ্টাব্দে এইসলবেন, স্যাক্সনি, পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যে। তিনি ছিলেন একজন জার্মান ধর্মযাজক এবং ধর্মতত্ত্বের অধ্যাপক। তিনি ষোড়শ শতকে প্রটেস্ট্যান্ট ধর্মবিপ্লবের সূত্রপাত করেন। ১৫১৭ খ্রীষ্টাব্দে “পাপ করে অর্থের বিনিময়ে বিধাতার শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়” – এই মতের তিনি কঠোর বিরোধিতা করেন। ১৫২০ খ্রীষ্টাব্দে পোপ লিও এক্স মার্টিনকে তার সমস্ত লেখা প্রত্যাহার করতে বলেন কিন্তু মার্টিন সেই আদেশ প্রত্যাখ্যান করেন। এতে ১৫২১ খ্রীষ্টাব্দে রোমান সম্রাট চার্লস ভী তাকে ধর্মযাজকত্য থেকে বহিষ্কার করেন।
লুথার শিক্ষা দেন যে ভাল কাজ করে মুক্তি অর্জন করা যায় না, বরং পাপমুক্তিদাতা হিসেবে যীশু খ্রীষ্টের উপর বিশ্বাস রাখার মাধ্যমে ঈশ্বরের উপহার হিসেবেই তা পাওয়া যায়। তার ধর্মতত্ত্ব রোমান ক্যাথলিক মন্ডলীর পোপের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে। লুথারের শিক্ষার সমর্থকদের ‘লুথারেন’ বলা হয়।
ল্যাটিনের পরিবর্তে তার অনুবাদকৃত জার্মান বাইবেল পাওয়ায় জার্মানীদের কাছে তা আরও ব্যবহারযোগ্য হয় এবং জার্মানের মন্ডলী ও সংস্কৃতিতে ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলে। এতে জার্মান ভাষায় বাইবেল আরও সমৃদ্ধি আনে, অনুবাদ শিল্পে বিভিন্ন নীতিমালা যুক্ত হয় এবং ইংরেজীতে কিং জেমস বাইবেল অনুবাদ করতে প্রভাবিত করে। তার লেখা প্রশংসা সংগীত চার্চে গান গাওয়ার প্রথা চালু উৎসাহিত করে। কাথারিনা ভন বোরাকে বিয়ে করার মাধ্যমে তিনি যাজকীয় বিবাহের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন যা প্রোটেষ্ট্যান্ট পুরোহিতদের বিয়ে করাকে সমর্থন করে। ১৫৩১ খ্রীষ্টাব্দ থেকে তিনি বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হন এবং দীর্ঘদিন সেই রোগে ভোগেন। ১৫৪৬ খ্রীষ্টাব্দের ১৮ই ফেব্রুয়ারী ৬২ বছর বয়সে তিনি মৃত্যু বরণ করেন।

দেখা হয়েছেঃ 208 0 টি মন্তব্য

জ্ঞান তাপস সন্ন্যাসী জন স্টট

Posted by সবুজ চৌধুরী
সবুজ চৌধুরী
সবুজ চৌধুরী তার সম্পর্কে এখনও কিছু লেখেনি
ব্যবহারকারী বর্তমানে অফলাইন
- 27 আগস্ট 2011
বিষয়ঃ জীবনী ও সাক্ষ্য

রেভা. জন স্টট যার প্রচার শুনতে ষ্টেডিয়াম পূর্ণ হয়নি, কিন্তু হয়েছিলো তাঁর বন্ধু বিলি গ্রাহামের প্রচার শুনতে। তিনি কোনো রাষ্ট্রপতির প্রারম্ভিক বাষণের সময় কোনো অভিমন্ত্রণ উচ্চারণ করেন নি। যেমন করেছেন রক্ ওয়ারেন, রাস্ট্রপতি বারাক ওবামার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে- তথাপি তিনি ছিলেন ইভানজেলিক্যাল ওয়ার্ল্ডে একটি বটবৃক্ষ। অনেকে মনে করেন তিনি ছিলেন সমকালীন সময়ে সর্বশ্রেষ্ঠ সু-সমাচার প্রচারক, কিন্তু তাঁর প্রচার পৃথিবীর অনেকেই শুনতে সুযোগ পায় নি।
পৃথিবীর বিখ্যাত সাপ্তাহিক সাময়িকি 'দ্য টাইম' ২০০৫ সালে পৃথিবীর ১০০ (একশত) প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের মধ্যে তাকে স্থান দিয়েছিলো। রেবা. জন স্টট গত মাসের (জুলাই ২৭ তারিখে ৯০ বছর বয়সে প্রভূতে নীত হয়েছেন। বার্ধক্যজনিত কারণে এই জ্ঞান তাপসের মহাপ্রয়াণ হয়েছে। তিনি চিরকুমার ছিলেন। মৃত্যুর সময় অজস্র গ্রন্থ তাকে ঘিরে রেকেছিলো। বইগুলোর সাথে কথা বলতে বলতেই চিরনিদ্রায় নিদ্রিত হয়েছেন।
তাঁর মৃত্যুতে বিলিগ্রাহাম বলেছেন, 'The Evangelical world has lost one of the greatest spokesmen, and I have lost one of my close personal friends and advisers. I look forward to seeing him again when I go to heaven.'
এই মহাযোগী মহাঋষির জন্ম হয়েছিলো এপ্রিল ২৭, ১৯২১ খ্রিষ্টাব্দে। তাঁর পিতা একজন নিরিশ্বরবাদী চিকিৎসক এবং মা ছিলেন লুথারিয়ান। সতের বছর বয়সে রাগবী প্রশিক্ষণ ক্যামে্পে একজন প্রচারকের (Rev. E. J. H. Nash) একটি প্রশ্ন তাকে বিচলিত করেছিলো। এই প্রশ্নটি পিলাত-সমবেত যিহুদী সমাজকে করেছিলেন, 'তবে যীশু যাহাকে খ্রিষ্ট বলে, তাহাকে কি করিব?' এই প্রশিক্ষণ শিবিরেই তিনি যীশুকে গ্রহণ করেছিলেন।
যৌবনে তার ইচ্ছে ছিলো কূটনৈতিক জীবকা গ্রহণের। প্রস্তুতির জন্য কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক ভাষা শাখায় ভর্তি হন এবং পরবর্তীতে ফ্রেঞ্চ ভাষায় প্রথম এবং জার্মানি ভাষায় দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন। আরো কিছু পরে ধর্মতত্ত্বে প্রতম স্থান লাভ করেন। ১৯৪৫ খ্রি. তিনি অল-সোলস চার্চ ল্যাংহাম প্রেস, লণ্ডনে অভিষিক্ত হন। সম্রাট ষষ্ঠ জর্জ যিনি চার্চ অফ ইংল্যাণ্ডের প্রধান ছিলেন, তাকে রেকটর মনোনীত করেন। অল-সোলস চার্চে তিনি তাঁর বর্ণাঢ্য জীবন কাটিয়েছেন। শহরে জীবনের বিচিত্র এবং বিক্ষিপ্ত জীবন, ধ্যান-ধারণা ইচ্ছে আকাঙ্খাকে তিনি শীলিত করেছেন তাঁর তীক্ষ্ণ এবং ক্ষুরধার প্রচারের মাধ্যমে বংশজাত খ্রিষ্টিয়ানকে উত্তরণ ঘটিয়েছেন সাক্ষ্যদায়ী খ্রিষ্টিয়ানে।
এ্যাংলিকান রক্ষণশীল চার্চের সদস্যদেরকে শিখিয়েছেন কিভাবে বাণী বাহক হতে হয়, নব বিশ্বাসীদের কিভাবে পরিচর্যা করতে হয়। বাণী গ্রহণকারীকে কিভাবে সাহায্য করতে হয়। রক্ষণশীল এ্যাংলিকান চার্চে তিনি ছিলেন র‍্যাডিকাল কিন্তু ক্ল্যাসিকাল। তার ছোট একটি বই বেসিক খ্রিষ্টিয়ানিটি (Basic Christianity) একটি অনবদ্য খ্রিষ্টিয় ক্ল্যাসিক বই যা ২৫ লক্ষ কপি বিক্রিত হয়েছে। বইটি পৃথিবীর নানান ভাষায় অনূদিত হয়েছে। সর্বমোট ৫০টি গ্রন্থের প্রণেতা ছিলেন তিনি। তাঁর প্রথম গ্রন্থ Personal Evangelism প্রকাশিত হয় ১৯৪৯ খ্রি., দ্বিতীয় গ্রন্থটি Becoming a Christian প্রকাশিত হয় ‌১৯৫০ খ্রি. এবং তৃতীয় গ্রন্থ Parochial Evangelism by the Laity প্রকাশিত হয় ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে। এগুলোও ছাড়াও রয়েচে 'The Cross of Christ', Issues Facing Christians Today' অন্যতম। তাঁর সর্বশেষ গ্রন্থটির নাম 'The Radical Disciple'।
বেসিক খ্রিষ্টিয়ানিটির বিক্রয়লব্ধ সমস্ত অর্থ দিয়ে তিনি সৃষ্টি করেছিলেন ল্যাংহাম পার্টনারসিপ ইন্টারন্যাশনাল (Langham Partnership International)। এই প্রতিষ্ঠানটি এ যাবৎ ১০০টি মেজর ওয়ার্ল্ড-এর (তৃতীয় বিশ্বের) তিনশত খ্রিষ্টিয় নেতৃত্ব গঠন করেছেন। তিনি কখনো তৃতীয় বিশ্ব বা টু-থার্ড ওয়ার্ল্ড বলতেন না, বলতেন মেজর ওয়ার্ল্ড। ঠিকই তো বিশ্বের মোট জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশই তো আফ্রো-এশিয়া এবং ল্যাটিন আমেরিকার দরিদ্র এবং বঞ্চিত মানুষ।
রেভা. জন স্টট দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন বাণী প্রচারই (সুসমাচার প্রচার) চার্চের একমাত্র কর্ম নয়। চার্চকে সামাজিক সমস্যাগুলি দারিদ্র, ক্ষুধা, বৈষম্য, সামাজিক অনায্যর বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ হতে হবে। কর্মহীন বিশ্বাসে তিনি বিশ্বাসী ছিলেন না। তিনি উচ্চকণ্ঠে প্রচার করেছেন, বর্তমান বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তন, দারিদ্রমুক্ত বিশ্ব, ঋণগ্রস্ত দেশগুলির ঋণ মওকুফ বিষয়গুলি নিয়ে।
বিশ্ব খ্রিষ্টিয় ইতিহাসের একটি মাইলফলক হলো 'দ্যা ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অন ওয়ার্ল্ড ইভানজেলিজম'। ড. বিলি গ্রাহাম ১৯৭৪ সালে সুইজারল্যান্ডের লুজান শহরে 'Let the Earth hear His Voice' মূলসুরের উপর বিশ্ব খ্রিষ্টিয় সম্মেলন আহবান করেছিলেন (১৬-২৫ জুলাই, ১৯৭৮)। একশ পঞ্চাশটি দেশ থেকে ৮০৫১ জন নেতৃবৃন্দ এই সম্মেলনে বা কংগ্রেসে যোগদান করেন। কংগ্রেসে লুজান ঘোষণাপত্র বা লুজান কভনেন্ট নামক একটি দলিল গ্রহণ করা হয়। এই সম্মেলনের ঘোষণাপত্র থেকে উঠে এলো একটি নতুন চিন্তা, নতুন দিক-নির্দেশনা। আর সেটি হলো সেবামূলক কাজকে ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান। অর্থাৎ একটি দাতব মুদ্রার এটিঠ হলো প্রচার অন্য পিঠ হলো সমাজ সেবা। লুজান ঘোষণাপত্রে পঞ্চম অনুচ্চেদে ঘোষণা করা হলো- We affirm that God is both the Creator and the Judge of all man. We therefore should share his concern for justice and reconciliation throughout human society and for the liberation of man from every kind of oppression. Because mankind is made in the image of God, every person, regardless of race, religion, colour, culture, class, sex or age, has an intrinsic dignity because of which he should be respected and served, not exploited. Here too we express penitence both for our reflect and for having sometimes regarded evangelism and social concern as mutually exclusive. Although reconciliation with man is not reconciliation with God, nor is social action evangelism, nor is political liberation salvation, nevertheless we affirm that evangelism and socio=political involvement are both part of our Christian duty. For both are with man is necessary expressions of our doctrines of God and man, our love for our neighbor and our obedience to Jesus Christ. The message of salvation implies also a message of judgment upon every form of alienation, oppression and discrimination, and we should not be afraid to denounce evil and injustice wherever they exist. When people receive Christ they anre born again into his kingdom and must seek not only to exhibit but also to spread its righteousness in the midst of an unrighteous world. The salvation we claim should be transforming us in the totality of our personal and social responsibilities. Faith without works is dead. (আমরা স্বীকার করি যে, ঈশ্বর হরেন সকল মানুসের সৃস্টিকর্তা ও বিচারকর্তা-উবয়ই। তাই ন্যায়বিচার ও সমগ্র মানব সমাজব্যাপী পুনর্মিলন এবং সকল অত্যাচার ও নিপীড়ন থেকে মানুষের পরিত্রাণ সম্পর্কে ঈম্বরের চিন্তা ও আকাঙ্খা মানষের কাছে আমাদের তুলে ধরা উচিত। কারণ মানুষ ঈশ্বরেরই প্রতিমূর্তিতে সৃস্ট হয়েছে, প্রত্যেক ব্যক্তি তা সে যে কোনো জাতি, ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণী, কৃষ্টি, লিঙ্গ বা বয়সেরই হোক না কেন তার এক বিশেষ মর্যাদা রয়েছে, সে কারণেই তাকে শোষণ বা নিপীড়ন নয় বরং সম্মান ও সেবা করা উচিত। এ বিষয়টিকে অবহেলা করার জন্য এবং কখনও কখনও সুসমাচার প্রচার ও সামাজিক সেবামূলক দায়িত্বকে পরস্পর আলাদা ও স্বতন্ত্রভাবে দেখার জন্য আমরা গভীর অনুতাপ ও দুঃখ প্রকাশ করছি। যদিও মানুষের সাথে পুনর্মিলনই ঈশ্বরের সাথে পুনর্মিলন নয়, কিংবা সামাজিক সেবামূলক কাজই সুসমাচার প্রচার নয়, অথবা রাজনৈতিক স্বাধীনতাই পরিত্রাণ নয়; এতদসত্ত্বেও আমরা স্বীকার করি যে, সুসমাচার প্রচার কাজ এবং সামাজিক-রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এই উভয়ই হলো আমাদের খ্রিষ্টয় দায়িত্বেরই অংশ বিশেষ। কারণ এই উভয়ই হলো ঈশ্বর এবং মানুষ, প্রতিবেশীদের জন্য আমাদের ভালোবাসা এবং যীশু খ্রিষ্টের প্রতি বাধ্যতা সম্পর্কে আমাদের মতবাদের প্রয়োজনীয় অভিব্যক্তিস্বরূপ। পরিত্রাণের বাণী একই সাথে বিচারের বাণী হিসেবেও প্রযোজ্য, সকল প্রকারের বিরোধিতা, নিপীড়ন এবং বৈষম্যের প্রতি এটি হলো বিচারের বাণীস্বরূপ এবং যেকানেই মন্দতা ও অবিচার থাকুক না কেন তার বিরুদ্ধে কতা বলতে আমাদের মোটেই ভীত হওয়া উচিত নয়। লোকেরা যখন ক্রিষ্টকে গ্রহণ করে তখন তারা ঈশ্বরের রাজ্যে নতুনভাবে জন্মগ্রহণ করে এবং এই অধার্মিকতাপূর্ণ পৃথিবীতে তাদের শুধুমাত্র ঈশ্বরের রাজ্যের ধার্মিকতা প্রকাশ করাই যথেষ্ট নয় কিন্তু এই ধার্মিকতা বিস্তারের জন্যও অবশ্যই চেষ্টা করা উচিত। আমরা যে পরিত্রাণের দাবী করি তা সামগ্রিকভাবে আমাদের ব্যক্তিগত এবং সামাজিক দায়িত্বের ক্ষেত্রে আমাদের জীবনকে অবশ্যই রূপান্তরিত করবে। কর্মবিহীন বিশ্বাস মৃত)।
একটি নতুন দিকমাত্রা সমাজসেবা (সোস্যাল ওয়ার্ক) ইভানজেলিক্যালদেরকে প্রদীপ্ত করলো। তৃতীয় বিশ্বের দারিদ্র হ্রাস ও অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য নতুন নতুন সংগঠন সৃস্টি হলো। উন্নত বিশ্বের দেশগুলিতে সৃষ্টি হলো টিয়ার ফাণ্ড (TEAR Fund: The Evangelical Alliance of Relief) ওয়ার্ল্ড রিলিফ, ওয়ার্ল্ড কনসার্ন ইত্যাদি নতুন সংস্থা। ওয়ার্ল্ড বিশন পঞ্চাশ দশকে কোরিয়ান যুদ্ধের সময় সৃষ্টি হলেও লুজান কভনেন্ট তাদেরকে আরো এগিয়ে দিলো।
পূর্বেই উল্লেখ করেছি যে, তিনি চিরকুমার ছিলেন। শুধু চিরকুমার বললে তাকে অমর্যাদা করা হবে। তিনি সন্ন্যাসীর জীবন যাপন করতেন। বছরের তিনমাস তিনি ওয়েলেস-এর একটি নিরব নির্জন এবং নিভৃত পল্লীতে কাটাতেন এবং এখানে বসেই লণ্ঠনের আলোয় তিনি রচনা করেছেন বেশির ভাগ গ্রন্থ। পরে এই গৃহকে তাঁর অমতে বৈদ্যুতিক সংযোগ প্রদান করা হয়।
শ্রীলঙ্কার অজিত ফার্নাণ্ডো তাঁর সম্পর্কে বলেছেন, 'We are grateful that he gave so much time coming to the poorer nations not with some huge program which would empress the whole World, but simply to teach us the Bible'. ল্যাটিন আমেরিকার ধর্মতত্ত্ববিদ রেণে পাদেলিয়া ড. জন স্টটের সম্পর্কে তাঁর বাস্তব অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছিলেন, 'একদিন আমি এবং ড. জন স্টট আর্জেন্টিনা'র একটি ছোট শহরে যাচ্ছিলাম, পথে প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিলো-আমরা দুজনেই বৃষ্টিতে ভিজে গেলাম- আমাদের জুতো কাদায় ভরে গেল। রাত্রে দু'জনে একটা কক্ষে ঘুমালাম কিন্তু ভোরে জুতোর ব্রাশ করার শব্দে ঘুম ভেঙ্গে গেল। তাকিয়ে দেখি জন আমার কর্দমাক্ত জুতো জোড়া নিজ হাতে পরিষ্কার করছেন। আমি বাঁধা দিলাম। তিনি বললেন, 'রেণে যীশু বলেছেন যেন আমরা একে অপরের পা ধুইয়ে দিই। কিন্তু তোমার পা ধোয়ার প্রয়োজন নেই, তাই আমি তোমার জুতো পরিষ্কার করছি।'

ট্যাগঃ ট্যাগ নেই
দেখা হয়েছেঃ 166 0 টি মন্তব্য

আর্চ বিশপ মাইকেল রোজারিও ডি ডি

Posted by সবুজ চৌধুরী
সবুজ চৌধুরী
সবুজ চৌধুরী তার সম্পর্কে এখনও কিছু লেখেনি
ব্যবহারকারী বর্তমানে অফলাইন
- 27 সেপ্টেম্বর 2010
বিষয়ঃ জীবনী ও সাক্ষ্য

শুলপুর ধর্মপল্লরি শুলপুর গ্রামের মাদ্বর বাড়ীতে সাধারণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ঢাকা প্রয়াত আর্চ বিশপ মাইকেল রোজারিও। স্বর্গীয় উরবান রোজারিও ও স্বর্গীয়া ভিক্টরিয়া পিরীজের আট সন্তানের মধ্যে চতুর্থ সন্তান ছিলেন আর্চ বিশপ। তাঁর ভাই বোনগণ হলেন যথাক্রমে স্বর্গীয় জন রোজারিও, স্বর্গীয় লুইস মনু রোজারিও, মিসেস সুজানা রোজারিও, মিসেস তেরেজা রোজারিও, স্বর্গীয় পল নিকোলাস রোজারিও, স্বর্গীয় ফ্রান্সিস রোজারিও এবং মিসেস মার্থা রোজারিও।

ট্যাগঃ ট্যাগ নেই
দেখা হয়েছেঃ 103 0 টি মন্তব্য

বিশপ যোয়াকিম রোজারিও সি, এস, সি

Posted by সবুজ চৌধুরী
সবুজ চৌধুরী
সবুজ চৌধুরী তার সম্পর্কে এখনও কিছু লেখেনি
ব্যবহারকারী বর্তমানে অফলাইন
- 19 সেপ্টেম্বর 2010
বিষয়ঃ জীবনী ও সাক্ষ্য

শুলপুরের আরেক কৃতি সন্তান চট্টগ্রাম ধর্মপ্রদেশের সাবেক বিশপ, শ্রদ্ধেয় বিশপ যোয়াকিম রোজারিও ১৯৩০ সালে ২রা সেপ্টেম্বর বড়ইহাজী গ্রামে এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি স্বর্গীয় এডোয়ার্ড রোজারিও (ইটু মাষ্টার) ও মারিয়ার রোজারিও’র জ্যোষ্ঠ পুত্র। তার পাঁচ ভাই ও বোনরা হলেন যথাক্রমে মিঃ পল রোজারিও, মিসেস স্বর্ণ রোজারিও, মি: সুবোধ রোজারিও, মিসেস সুষমা রোজারিও এবং মিঃ প্রমোদ রোজারিও।

ট্যাগঃ ট্যাগ নেই
দেখা হয়েছেঃ 91 0 টি মন্তব্য

উইলিয়াম কেরি

Posted by সবুজ চৌধুরী
সবুজ চৌধুরী
সবুজ চৌধুরী তার সম্পর্কে এখনও কিছু লেখেনি
ব্যবহারকারী বর্তমানে অফলাইন
- 10 সেপ্টেম্বর 2010
বিষয়ঃ জীবনী ও সাক্ষ্য

(১৭ অগস্ট, ১৭৬১ – ৯ জুন, ১৮৩৪) ছিলেন একজন ইংরেজ ব্যাপ্টিস্ট মিশনারি এবং ব্যাপ্টিস্ট মিনিস্টার। কেরি আধুনিক মিশনসমূহের জনক ("father of modern missions") নামে পরিচিত। তিনি ব্যাপ্টিস্ট মিশনারি সোসাইটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। ভারতের শ্রীরামপুর দিনেমার উপনিবেশে (অধুনা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হুগলি জেলায় অবস্থিত) খ্রিষ্টধর্ম প্রচারের কার্যে নিযুক্ত হয়ে তিনি বাংলা, সংস্কৃত এবং অন্যান্য ভাষা ও উপভাষায় বাইবেল অনুবাদ করেন।

ট্যাগঃ ট্যাগ নেই
দেখা হয়েছেঃ 97 0 টি মন্তব্য

পবিত্র আত্মার মাহাত্ম্য ধ্বনি

Posted by সবুজ চৌধুরী
সবুজ চৌধুরী
সবুজ চৌধুরী তার সম্পর্কে এখনও কিছু লেখেনি
ব্যবহারকারী বর্তমানে অফলাইন
- 03 সেপ্টেম্বর 2010
বিষয়ঃ জীবনী ও সাক্ষ্য

আমরা প্রতিটি মানুষ ঈশ্বরের সন্তান। আমরাই তাঁর শ্রেষ্ঠ জীব। আমাদের মধ্যে তিনি এমন শক্তি দিয়েছেন যা অন্য কিছুর মধ্যে নেই। সে রকমই এক শক্তি পবিত্র আত্মার শক্তি, আর পবিত্র শক্তি অসীম। এই পবিত্র আত্মার শক্তি মানুষ অর্জন করতে পারে তবে তাকে ঈশ্বরের ইচ্ছানুযায়ী কাজ করতে হবে,পবিত্র জীবন-যাপন করতে হবে, তাঁর সাথে সময় কাটাতে হবে এর অর্থ পবিত্র আত্মার সামনে নিজেকে উন্মুক্ত করা।

ট্যাগঃ ট্যাগ নেই
দেখা হয়েছেঃ 108 0 টি মন্তব্য

নতুন জীবনের স্বপ্ন উইলিয়াম বি. এইচ

Posted by সবুজ চৌধুরী
সবুজ চৌধুরী
সবুজ চৌধুরী তার সম্পর্কে এখনও কিছু লেখেনি
ব্যবহারকারী বর্তমানে অফলাইন
- 03 সেপ্টেম্বর 2010
বিষয়ঃ জীবনী ও সাক্ষ্য

মানুষ স্বপ্ন দেখবে এটাই স্বাভাবিক। ‘উইলিয়াম বি এইচ’ ও স্বপ্ন দেখেছিল। তাঁর স্বপ্ন নিয়ে আজকের এ লেখা। আগে তার একটু পরিচয় দিয়ে নিই। সে খুব সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে। পরিবারের বড় তাই আদরটা একটু বেশী। বর্তমানে সে অনার্স ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র।

ট্যাগঃ ট্যাগ নেই
দেখা হয়েছেঃ 89 0 টি মন্তব্য