জন্টি রোডস
উদ্দেশ্য সম্বন্ধে ভাবুন!
অস্তিত্বের অর্থই হচ্ছে নিজের ভিতরের শান্তি এবং পরিপূর্নতার অন্বেষণ করা। গত বিশ্বকাপের উত্তেজনাপূর্ন মুহুর্তটি ছিল, যখন জন্টি রোডস তার চির পরিচিত সেই উড়ন্ত ডাইভের মাধ্যমে পাকিস্তানী ব্যাটস্ম্যান ইনজামাম-উল-হককে রান আউট করেন। এই রকম চমৎকার নৈপন্য প্রদশনের জন্য জন্টি রোডস অনেকের দ্বারা ক্রিকেটে শ্রেষ্ঠ ফিল্ডারের সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন এবং তিনি সাম্প্রতিক সময়ের একজন প্রসিদ্ধ খেলোয়াড় হয়ে উঠেছেন। তার নিজের দল সাউথ আফ্রিকা সেই রাউন্ড রনিন ম্যাচটি জিতেছিল। এই ম্যাচটিকে টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ান হতে যাওয়া দলের বিরুদ্ধে জন্টির ম্যাচ হিসাবে সবসময় স্মরণ করা হয়। আন্তর্জাতিক শ্রেণীর একজন ব্যাটস্ম্যান ও ফিল্ডার হিসাবে এবং সাউথ আফ্রিকার একজন চমৎকার হকি খেলোয়াড় হিসাবে, তিনি যে সকল কৃতিত্ব দেখিয়েছেন তাতে করে তিনি অভূতপূর্ব জনপ্রিয়তার উপাধি “ফ্রিরিটি” হিসাবে পরিচিত ছিলেন। জন্টি তার এই বিশেষ দক্ষতার জন্য ঈশ্বরের নিকট সত্যি কৃতজ্ঞ এবং বিনম্র ছিলেন। অনুসারী ছিলেন। ঈশ্বরের সাহচর্যে কেইট-এর হৃদয়ে যে শান্তি ছিল তা আমি দেখেছিলাম এবং আমিও সেই একই শান্তি চাইছিলাম। সেই সময়ে আমি মাত্র জাতীয় ক্রিকেট ও হকি দলে অন্তর্ভূক্ত হয়েছিলাম এবং যথেষ্ট চাপের মধ্যে থাকার কারনে জীবনের সত্যিকারের কষ্ট অনুভব করেছিলাম। এক রাত্রে আমি নিজে নিজেই ভাবছিলাম, “জন্টি তুমি আর কোথাও যাচ্ছ না।” “আমি জানতাম আমার জীবনে প্রভুকে প্রয়োজন, তাই আমি নিয়মিত পিটার মার্টিবার্গের চার্চে যাওয়া শুরু করলাম। এক রাতে চার্চের পরে আমি পরিচর্যাকারী এ্যারোল জ্যাকোবিকে ধরলাম এবং তার কাছে এই ব্যাপারে সাহায্য চাইলাম। তিনি আমাকে সেই চার্চের পিছনের একটি ঘরে যেখানে পাপ স্বীকার করা হয়, সেখানে নিয়ে গেলেন। এটাই ছিল সঠিক সাহায্য, কারন এটা ছিল সেই জায়গা যেখানে আমি আমার হৃদয় খুলে কেদেছিলাম এবং প্রভুকে আমার হৃদয় সমর্পণ করেছিলাম।” জন্টি বুঝতে পারলেন যে, তার এই নতুন জন্মের অভিজ্ঞতার সমস্তটাই সম্ভব হয়েছে কেইট-এর সঙ্গে তার পরিচয় হবার ফলে, যে এখন তার স্ত্রী। “আমি এখন জানি কেন প্রভু আমাদেরকে একসঙ্গে রেখেছেন, কারন কেইট ছিল তেমনি একজন যে আমাকে সঠিক পথ দেখিয়েছিল।” প্রভুকে গ্রহন করবার পরে পূর্বের জীবনের সাথে বর্তমান জীবনের পার্থক্য সম্বন্ধে জানতে চাইলে, জন্টি বললেন, “প্রভুকে আমার হৃদয়ে গ্রহন করবার পর থেকে আমার মধ্যে দেবার প্রবনতা অনেক বেড়ে গেছে। আমি বুঝতে পেরেছি, এ সমস্ত গৌরবের অধিকারী আমি নই। আমার জীবনের উদ্দেশ্য বুঝতে এবং আমার খেলোয়াড়ি জীবন গঠনে যীশু আমাকে সাহায্য করেছেন।”


গত ২৬শে ডিসেম্বর দুপুর ১২টার দিকে রাঙামাটি যাবার পথে ডঃ এন্ড্রু বাড়ৈ রোড দুর্ঘটনায় আহত হন। সিএনজি অটো রিকশার সাথে ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে তিনি চরম ভাবে আহত হন এবং তার শরীরের প্রায় ১৮টি হাড় ভেঙ্গে যায়। ২৮শে ডিসেম্বর তাকে ট্রমা সেন্টার আর্থপেডিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং এখন তিনি ৪০৭ নাম্বার কেবিনে চিকিৎসাধীন আছেন। তার হাতে এবং লাঞ্চে দুইটি সার্জারী করা হয়েছে তবে তার হাতের রক্তক্ষরন এখনো বন্ধ হয় নি। তার ছেলে গাব্রিয়েল বাড়ৈ (ডালিম) জানান তার বাবা এখন একটু ভালোর দিকে এবং তার শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করে ডাক্তার পরবর্তী পদক্ষেপ নিবেন। ডঃ এন্ড্রু বাড়ৈ-এর পরিবার তার জন্য সবার কাছে প্রার্থনা চেয়েছেন। 
২৬শে নভেম্বর, ২০১১


